ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

ক্রিকেট মাঠের আলোচিত চরিত্র সাকিব আল হাসানকে আবারও জাতীয় দলে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দেশের মাটিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে এই অলরাউন্ডারের। বিসিবির বর্তমান বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম সাকিবের ফেরার প্রক্রিয়া নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সাকিব আল হাসান আর দেশে ফিরতে পারেননি। আওয়ামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যের নামে একাধিক মামলা হওয়ায় এবং গ্রেপ্তার ও জনরোষের আশঙ্কায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায়ী টেস্ট খেলার পরিকল্পনাও ভেস্তে যায়। তবে বিসিবির ২৪ জানুয়ারির বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ফর্ম ও ফিটনেস ঠিক থাকলে সাকিবকে আবারও জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানিয়েছেন, তারা চান সাকিবের মতো বড় মাপের ক্রিকেটারের দেশের মাটিতে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা পূরণ হোক।

মার্চে তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান দল। বিসিবি কর্মকর্তাদের মতে, এই সিরিজটিকেই সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সেরা সময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। বোর্ডের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিচালক জানান, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে কিছু পরিবর্তন আসায় সাকিব নিজেও এখন দেশে ফেরার বিষয়ে আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। মাসখানেক আগে থেকেই তিনি বোর্ডের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশের হয়ে খেলার ব্যাপারে তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সাকিবকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি কোনো নিষেধাজ্ঞা আগে থেকেই ছিল না, তবে প্রধান বাধা ছিল তার নিরাপত্তা এবং সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার কঠোর অবস্থান। সেই সময় সাকিবের সাথে তৎকালীন প্রশাসনের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে বিসিবি কোনো ঝুঁকি নিতে পারেনি। বর্তমানে বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিজেই সাকিবের ফেরার পথ সুগম করতে সরকার ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজটিই সাকিবের ক্যারিয়ারের শেষ হবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগে সাকিবের নির্বিঘ্নে দেশে আসা নিশ্চিত হোক, এরপর তিনি খেলা চালিয়ে যাবেন কি না তা একান্তই সাকিবের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আর কোনো ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেবে না জুলাই যোদ্ধারা: জামায়াত আমির

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান

প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ক্রিকেট মাঠের আলোচিত চরিত্র সাকিব আল হাসানকে আবারও জাতীয় দলে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই দেশের মাটিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে এই অলরাউন্ডারের। বিসিবির বর্তমান বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম সাকিবের ফেরার প্রক্রিয়া নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সাকিব আল হাসান আর দেশে ফিরতে পারেননি। আওয়ামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যের নামে একাধিক মামলা হওয়ায় এবং গ্রেপ্তার ও জনরোষের আশঙ্কায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায়ী টেস্ট খেলার পরিকল্পনাও ভেস্তে যায়। তবে বিসিবির ২৪ জানুয়ারির বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ফর্ম ও ফিটনেস ঠিক থাকলে সাকিবকে আবারও জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হবে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানিয়েছেন, তারা চান সাকিবের মতো বড় মাপের ক্রিকেটারের দেশের মাটিতে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা পূরণ হোক।

মার্চে তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান দল। বিসিবি কর্মকর্তাদের মতে, এই সিরিজটিকেই সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সেরা সময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। বোর্ডের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিচালক জানান, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে কিছু পরিবর্তন আসায় সাকিব নিজেও এখন দেশে ফেরার বিষয়ে আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। মাসখানেক আগে থেকেই তিনি বোর্ডের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং দেশের হয়ে খেলার ব্যাপারে তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সাকিবকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি কোনো নিষেধাজ্ঞা আগে থেকেই ছিল না, তবে প্রধান বাধা ছিল তার নিরাপত্তা এবং সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার কঠোর অবস্থান। সেই সময় সাকিবের সাথে তৎকালীন প্রশাসনের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে বিসিবি কোনো ঝুঁকি নিতে পারেনি। বর্তমানে বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিজেই সাকিবের ফেরার পথ সুগম করতে সরকার ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজটিই সাকিবের ক্যারিয়ারের শেষ হবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগে সাকিবের নির্বিঘ্নে দেশে আসা নিশ্চিত হোক, এরপর তিনি খেলা চালিয়ে যাবেন কি না তা একান্তই সাকিবের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।