ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট শহরের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম, গ্রামে বেশি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে পটুয়াখালী -১ আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল ওহাব তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন।

এদিকে প্রতিটি আসনেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ভালো।শহরের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি থাকলেও গ্রামে কেন্দ্রেগুলোতে ছিল বেশি।

পটুয়াখালী-১ আসন

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ভোট গ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম, ভয়ভীতি ও সহিংসতার অভিযোগ তুলে ভোট স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ডা. মেজর (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব। তিনি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।


তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগের রাত থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও আটকে রাখার ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও মাথা ফাটানো, অগ্নিসংযোগের হুমকি দেওয়া এবং ভোট দেওয়ার পর নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়। এতে পুরো উপজেলায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করেন।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ভোট গ্রহণ স্থগিতের দাবি জানিয়ে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

পটুয়াখালী-২ আসন।
আতঙ্ক-উৎকন্ঠা থাকলেও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে শান্তিপূর্ভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতিও ছিল ভালে। আসনে মোট ৫৮.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা।

এই আসনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলেও মূল লড়াই ছিল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদার এবং ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের মধ্যে। শুরু থেকেই এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনা ছিল তুঙ্গে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মালেক আনোয়ারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হাবিবুর রহমান ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়ে বিএনপির প্রার্ীকে সমর্থন দিয়েছেন।


পটুয়াখালী-৩ আসন

পটুয়াখালী -৩ ( গলাচিপা ও দশমিনা) আসনের শহরের ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত কম লক্ষ্য করা গেলেও গ্রামের কেন্দ্রগুলোতে বেশি উপস্থিতি দেখা গেছে।
সকাল ১০ টার দিকে গলাচিপা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারের কোনো লাইন দেখা যায়নি। ৭ টি বুথের মধ্যে তিনটিতে ৪-৫ জন করে ভোটার দেখা গেলেও অন্যগুলোত ভোটার দেখা যায়নি।
এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আরজু আকতার জানান, শুর থেকেই এখানে ভোটারের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে।
একজন ভোটার বলেন সকালে বাজার করে বাসায় দিয়ে এসেছি। চা খেয়ে ভোট দিতে যাবো।
মহিলা চা দোকানী হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুপুরের খাবারের পর আমরা ভোট দিতে যাবো। অনেক দিন পরে ভোট দেয়ার পরিবেশ হয়েছে। আবার এখন মেশিনের পরিবর্তে ব্যালটে ভোট দেয়া যাচ্ছে।

এই কেন্দ্রের এক কিলোমিটার দূরে উত্তর চরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে ভোটারের দীর্ঘ লাইন। লাইনের দুই-তৃতীয়াংশই মহিলা ভোটার।
এখানে ভোট দিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন মধ্য বয়সী নারী সালেহা বেগম (৪০)। তিনি বলেন আমি খুব সকালে ভোট দিতে এসেছি। ভোট দিয়ে বাড়ি গিয়ে রান্না- বান্না করবো আর পুরুষরা দুপুরের ভাত খেয়ে ভোট দিতে আসবে।
এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মেশারেফ হোসেন বলেন, এখানে ভোটারের উপস্থিতি ভালো। এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭৭৯ ভোটের মধ্যে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ৮০৩ টি ভোট পড়েছে।

পটুয়াখালী-৪ আসন
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া- রাঙ্গাবালী) সংসদীয় আসনের ১১১ টি কেন্দ্রে শানিতপূর্ভাবে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে এর মধ্যে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। জালভোট ও ব্যালেটের ছবি ধারনের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এদের মধ্যে কুয়াকাটা ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ব্যলটের ছবি ধারণের অভিযোগে মোহাম্মদ বেলায়েত (৪৫) কে আটক করেছে পুলিশ। বেলায়েত কুয়াকাটা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ভোটার। কুয়াকাটা ইসলাম পুর দাখিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রের দ্বায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার মো.শাহাদুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এছাড়া খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন ফাজিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানকালে তাওহীদ ইসলাম (১৬) এবং সোহাগ সিকদার (৩৫) নামীয় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ।

এই আসনের সরকারি রিট্রানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কাউসার জানান,নির্বাচন ঘিরে আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছে ৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ২প্লাটুন বিজিবি, ৮ প্লাটুন কোষ্টগার্ড, আনসার ব্যাটালিয়নের ৪ টি স্টাইকিং ফোর্স সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাবের ২টি টহল টিম। শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
এ আসনে ৩ লাখ ১২ হাজার ৬ শ‘ ০১ জন ভোটারের বিপরীতে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। প্রার্থীরা হলো বিএনপির এবিএম মোশাররফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান ও ১১ দলীয় জোটের ড. জহির উদ্দিন আহমেদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট শহরের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম, গ্রামে বেশি

প্রকাশিত : ০৬:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে পটুয়াখালী -১ আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল ওহাব তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন।

এদিকে প্রতিটি আসনেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ভালো।শহরের কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি থাকলেও গ্রামে কেন্দ্রেগুলোতে ছিল বেশি।

পটুয়াখালী-১ আসন

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনের মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ভোট গ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম, ভয়ভীতি ও সহিংসতার অভিযোগ তুলে ভোট স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ডা. মেজর (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব। তিনি এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।


তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগের রাত থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও আটকে রাখার ঘটনা ঘটে। কোথাও কোথাও মাথা ফাটানো, অগ্নিসংযোগের হুমকি দেওয়া এবং ভোট দেওয়ার পর নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়। এতে পুরো উপজেলায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি করেন।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ভোট গ্রহণ স্থগিতের দাবি জানিয়ে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

পটুয়াখালী-২ আসন।
আতঙ্ক-উৎকন্ঠা থাকলেও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে শান্তিপূর্ভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতিও ছিল ভালে। আসনে মোট ৫৮.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা।

এই আসনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলেও মূল লড়াই ছিল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদার এবং ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের মধ্যে। শুরু থেকেই এই দুই প্রার্থীকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ও আলোচনা ছিল তুঙ্গে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মালেক আনোয়ারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হাবিবুর রহমান ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়ে বিএনপির প্রার্ীকে সমর্থন দিয়েছেন।


পটুয়াখালী-৩ আসন

পটুয়াখালী -৩ ( গলাচিপা ও দশমিনা) আসনের শহরের ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত কম লক্ষ্য করা গেলেও গ্রামের কেন্দ্রগুলোতে বেশি উপস্থিতি দেখা গেছে।
সকাল ১০ টার দিকে গলাচিপা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারের কোনো লাইন দেখা যায়নি। ৭ টি বুথের মধ্যে তিনটিতে ৪-৫ জন করে ভোটার দেখা গেলেও অন্যগুলোত ভোটার দেখা যায়নি।
এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আরজু আকতার জানান, শুর থেকেই এখানে ভোটারের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে।
একজন ভোটার বলেন সকালে বাজার করে বাসায় দিয়ে এসেছি। চা খেয়ে ভোট দিতে যাবো।
মহিলা চা দোকানী হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুপুরের খাবারের পর আমরা ভোট দিতে যাবো। অনেক দিন পরে ভোট দেয়ার পরিবেশ হয়েছে। আবার এখন মেশিনের পরিবর্তে ব্যালটে ভোট দেয়া যাচ্ছে।

এই কেন্দ্রের এক কিলোমিটার দূরে উত্তর চরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে ভোটারের দীর্ঘ লাইন। লাইনের দুই-তৃতীয়াংশই মহিলা ভোটার।
এখানে ভোট দিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন মধ্য বয়সী নারী সালেহা বেগম (৪০)। তিনি বলেন আমি খুব সকালে ভোট দিতে এসেছি। ভোট দিয়ে বাড়ি গিয়ে রান্না- বান্না করবো আর পুরুষরা দুপুরের ভাত খেয়ে ভোট দিতে আসবে।
এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মেশারেফ হোসেন বলেন, এখানে ভোটারের উপস্থিতি ভালো। এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭৭৯ ভোটের মধ্যে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ৮০৩ টি ভোট পড়েছে।

পটুয়াখালী-৪ আসন
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া- রাঙ্গাবালী) সংসদীয় আসনের ১১১ টি কেন্দ্রে শানিতপূর্ভাবে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে এর মধ্যে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। জালভোট ও ব্যালেটের ছবি ধারনের অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

এদের মধ্যে কুয়াকাটা ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ব্যলটের ছবি ধারণের অভিযোগে মোহাম্মদ বেলায়েত (৪৫) কে আটক করেছে পুলিশ। বেলায়েত কুয়াকাটা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ভোটার। কুয়াকাটা ইসলাম পুর দাখিল মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রের দ্বায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার মো.শাহাদুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এছাড়া খেপুপাড়া নেছারুদ্দীন ফাজিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানকালে তাওহীদ ইসলাম (১৬) এবং সোহাগ সিকদার (৩৫) নামীয় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে কোস্টগার্ড ।

এই আসনের সরকারি রিট্রানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কাউসার জানান,নির্বাচন ঘিরে আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করছে ৫ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ২প্লাটুন বিজিবি, ৮ প্লাটুন কোষ্টগার্ড, আনসার ব্যাটালিয়নের ৪ টি স্টাইকিং ফোর্স সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাবের ২টি টহল টিম। শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
এ আসনে ৩ লাখ ১২ হাজার ৬ শ‘ ০১ জন ভোটারের বিপরীতে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। প্রার্থীরা হলো বিএনপির এবিএম মোশাররফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান ও ১১ দলীয় জোটের ড. জহির উদ্দিন আহমেদ।