ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ইসলামাবাদের পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য এখনও অপেক্ষায় রয়েছে পাকিস্তান। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা নিয়ে দোলাচলের মাঝে মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, পাকিস্তান এখনও কূটনীতি ও সংলাপের পথ অনুসরণ করছে। তবে পাকিস্তানের এই মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সিদ্ধান্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ খুব শিগগিরই শেষ হতে চলেছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ কয়েকটি পোস্টে ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

একই সঙ্গে, ইরানি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক অভিযান সত্ত্বেও ট্রাম্প এই চুক্তি সম্ভব বলে আশাপ্রকাশ করে চলেছেন।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদসহ সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে…। আমরা এই সময়টাকে সরঞ্জাম মজুতের কাজে লাগিয়েছি এবং তারাও (ইরান) হয়তো কিছুটা মজুত করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা অভিযানের জন্য প্রস্তুত। আমাদের সামরিক বাহিনী মুখিয়ে আছে।’’ মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বুধবার শেষ হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না তিনি।

অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সংঘাতের অবসানে সংলাপ ও কূটনীতিকে সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইসলামাবাদে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাতালি বেকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এ সময় তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়ার বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, বৈঠকে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, যে কোনও ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের একমাত্র কার্যকর মাধ্যম হলো সংলাপ ও কূটনীতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান

ইরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান

প্রকাশিত : ১২:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদের পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য এখনও অপেক্ষায় রয়েছে পাকিস্তান। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা নিয়ে দোলাচলের মাঝে মঙ্গলবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, পাকিস্তান এখনও কূটনীতি ও সংলাপের পথ অনুসরণ করছে। তবে পাকিস্তানের এই মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সিদ্ধান্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ খুব শিগগিরই শেষ হতে চলেছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ কয়েকটি পোস্টে ইরানের সঙ্গে কোনও চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

একই সঙ্গে, ইরানি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক অভিযান সত্ত্বেও ট্রাম্প এই চুক্তি সম্ভব বলে আশাপ্রকাশ করে চলেছেন।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে প্রচুর গোলাবারুদসহ সবকিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে…। আমরা এই সময়টাকে সরঞ্জাম মজুতের কাজে লাগিয়েছি এবং তারাও (ইরান) হয়তো কিছুটা মজুত করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা অভিযানের জন্য প্রস্তুত। আমাদের সামরিক বাহিনী মুখিয়ে আছে।’’ মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বুধবার শেষ হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াতে চান না তিনি।

অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সংঘাতের অবসানে সংলাপ ও কূটনীতিকে সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইসলামাবাদে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাতালি বেকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এ সময় তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়ার বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, বৈঠকে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, যে কোনও ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের একমাত্র কার্যকর মাধ্যম হলো সংলাপ ও কূটনীতি।