ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টাকে দিল্লি পাঠাচ্ছে সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চায় না ঢাকা। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের থমকে যাওয়া সম্পর্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে চায় বাংলাদেশ।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘জট’ খুলতে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুদিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রী দিল্লি সফরে যাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, গঙ্গার পানি চুক্তি ও ভিসা জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক নেতাদের ফিরিয়ে আনার মতো গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত ইস্যুগুলো এই সফরে আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

সূত্রে জানা গেছে, মূলত ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠেয় ‘ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স’-এ যোগ দেওয়ার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করবেন। এটি শুভেচ্ছা সফর হলেও ড. খলিলুর রহমানের এই দিল্লি সফর নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। এই সফরের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কীভাবে সামনে এগোবে, তার একটি রূপরেখা নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনার সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিল্লির মনোভাব বুঝতে চাইবে ঢাকা; একইসঙ্গে বাংলাদেশও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, এই সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সফরে দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়, বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধসহ অন্যান্য অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত (১৮ মাস) ক্ষমতায় ছিল। ওই সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেকটা তলানিতে ঠেকেছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টাকে দিল্লি পাঠাচ্ছে সরকার

প্রকাশিত : ০৫:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চায় না ঢাকা। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের থমকে যাওয়া সম্পর্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে চায় বাংলাদেশ।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ‘জট’ খুলতে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুদিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রী দিল্লি সফরে যাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, গঙ্গার পানি চুক্তি ও ভিসা জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক নেতাদের ফিরিয়ে আনার মতো গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত ইস্যুগুলো এই সফরে আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

সূত্রে জানা গেছে, মূলত ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠেয় ‘ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স’-এ যোগ দেওয়ার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করবেন। এটি শুভেচ্ছা সফর হলেও ড. খলিলুর রহমানের এই দিল্লি সফর নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। এই সফরের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কীভাবে সামনে এগোবে, তার একটি রূপরেখা নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনার সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিল্লির মনোভাব বুঝতে চাইবে ঢাকা; একইসঙ্গে বাংলাদেশও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, এই সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সফরে দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়, বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধসহ অন্যান্য অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত (১৮ মাস) ক্ষমতায় ছিল। ওই সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেকটা তলানিতে ঠেকেছিল।