ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্ব পানি দিবসে সুনামগঞ্জে নাগরিক সংলাপ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: হাওরবেষ্টিত জনপদের জেলা সুনামগঞ্জের চারদিকে অথৈ জলরাশি থাকলেও হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক ফোঁটা নিরাপদ পানীয় জল সংগ্রহ করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক উৎসগুলো দূষিত হওয়ার কারণে এই সংকট এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে নারী ও মেয়েশিশুরা পানি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হচ্ছে।
সুপেয় পানির তীব্র সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এএলআরডি (ALRD)-এর সহযোগিতায় এবং স্থানীয় সহযোগী সংস্থাসমূহের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শহরে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​পদ্মার নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান-এর সভাপতিত্বে এবং আরডিএসএ-এর নির্বাহী পরিচালক মিজানুল হক সরকার-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসভিডিএস-এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ওবায়দুল হক মিলন।
​আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট কবি ও গবেষক সুখেন্দু সেন,​ গবেষক ইকবাল কাগজী,​ প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট খলিল রহমান।
​সভায় আরও বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী, সমাজসেবক নুরুল হক, আরপিডব্লিউএস-এর নির্বাহী পরিচালক নিজাম উদ্দিন, অনির্বাণ সংস্থার সভানেত্রী শিল্পী বেগম, চলন্তিকা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক জোৎস্না বেগম, নারী সংগঠক চম্পা বেগম এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ও মার্জিয়া বেগম।
​আলোচনা সভা থেকে হাওরাঞ্চলের পানি সংকট নিরসনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হল, জলবায়ু সহনশীল পানির উৎস (গভীর নলকূপ ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং) বৃদ্ধি করা, হাওরের জলাশয় ও নদী দখল-দূষণ মুক্ত করা, পানি নীতিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ও নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ স্যানিটেশন ও পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
জনপ্রিয় সংবাদ

কালকিনিতে বিআরডিবি চেয়ারম্যানের প্রথম কার্যদিবস উদ্বোধন

বিশ্ব পানি দিবসে সুনামগঞ্জে নাগরিক সংলাপ

প্রকাশিত : ০৮:০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: হাওরবেষ্টিত জনপদের জেলা সুনামগঞ্জের চারদিকে অথৈ জলরাশি থাকলেও হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক ফোঁটা নিরাপদ পানীয় জল সংগ্রহ করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক উৎসগুলো দূষিত হওয়ার কারণে এই সংকট এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে নারী ও মেয়েশিশুরা পানি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হচ্ছে।
সুপেয় পানির তীব্র সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এএলআরডি (ALRD)-এর সহযোগিতায় এবং স্থানীয় সহযোগী সংস্থাসমূহের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শহরে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
​পদ্মার নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান-এর সভাপতিত্বে এবং আরডিএসএ-এর নির্বাহী পরিচালক মিজানুল হক সরকার-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসভিডিএস-এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ওবায়দুল হক মিলন।
​আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট কবি ও গবেষক সুখেন্দু সেন,​ গবেষক ইকবাল কাগজী,​ প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট খলিল রহমান।
​সভায় আরও বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী, সমাজসেবক নুরুল হক, আরপিডব্লিউএস-এর নির্বাহী পরিচালক নিজাম উদ্দিন, অনির্বাণ সংস্থার সভানেত্রী শিল্পী বেগম, চলন্তিকা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক জোৎস্না বেগম, নারী সংগঠক চম্পা বেগম এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ও মার্জিয়া বেগম।
​আলোচনা সভা থেকে হাওরাঞ্চলের পানি সংকট নিরসনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হল, জলবায়ু সহনশীল পানির উৎস (গভীর নলকূপ ও রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং) বৃদ্ধি করা, হাওরের জলাশয় ও নদী দখল-দূষণ মুক্ত করা, পানি নীতিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ও নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ স্যানিটেশন ও পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।