ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘে ভোটের প্রচারণায় ৩ দেশ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তুরস্কের আঙ্কারায় আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশগ্রহণ, ব্রাসেলসে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির (পিসিএ) প্রাথমিক প্রক্রিয়া সই এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবায় ভোটের প্রচারণাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রী ১৭-১৯ এপ্রিল তুরস্ক সফর করবেন। আঙ্কারা থেকে ১৯ এপ্রিল তিনি ব্রাসেলস যাবেন। সেখানে ইউরোপীয় কমিশনের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ কালা কালাসসহ ইইউ’র কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি আদ্দিস আবাবায় যাবেন এবং ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন।

তিন দেশেই মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় তুরস্কে ১৭-১৯ এপ্রিল পঞ্চম আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এবং ফোরামে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা ত্যাগ করবেন। ফোরামের ফাঁকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, ফোরামে অংশ নিতে আসা বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি প্রধানদের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের সুযোগ হবে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর গত মার্চের মাঝামাঝিতে তুরস্ক সফর করেছিলেন খলিলুর রহমান। সে সময় তিনি ভোট চাইতে তুরস্ক সফরে যান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর খলিলুর রহমান সৌদি আরব দিয়ে প্রথম বিদেশ সফর শুরু করেন। তিনি জেদ্দায় ফিলিস্তিনবিষয়ক ওআইসি’র জরুরি বৈঠকে যোগ দেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে লন্ডন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন, ভারত এবং মরিশাস সফর করেন। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য সব সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন হুমায়ুন কবির।

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় পটুয়াখালী এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর আগমনে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা

জাতিসংঘে ভোটের প্রচারণায় ৩ দেশ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তুরস্কের আঙ্কারায় আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশগ্রহণ, ব্রাসেলসে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির (পিসিএ) প্রাথমিক প্রক্রিয়া সই এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবায় ভোটের প্রচারণাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্ত্রী ১৭-১৯ এপ্রিল তুরস্ক সফর করবেন। আঙ্কারা থেকে ১৯ এপ্রিল তিনি ব্রাসেলস যাবেন। সেখানে ইউরোপীয় কমিশনের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ কালা কালাসসহ ইইউ’র কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি আদ্দিস আবাবায় যাবেন এবং ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন।

তিন দেশেই মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় তুরস্কে ১৭-১৯ এপ্রিল পঞ্চম আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এবং ফোরামে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার ঢাকা ত্যাগ করবেন। ফোরামের ফাঁকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, ফোরামে অংশ নিতে আসা বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি প্রধানদের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের সুযোগ হবে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর গত মার্চের মাঝামাঝিতে তুরস্ক সফর করেছিলেন খলিলুর রহমান। সে সময় তিনি ভোট চাইতে তুরস্ক সফরে যান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিকেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর খলিলুর রহমান সৌদি আরব দিয়ে প্রথম বিদেশ সফর শুরু করেন। তিনি জেদ্দায় ফিলিস্তিনবিষয়ক ওআইসি’র জরুরি বৈঠকে যোগ দেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে লন্ডন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন, ভারত এবং মরিশাস সফর করেন। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য সব সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন হুমায়ুন কবির।