ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

৩৪ বিলিয়নের নিচে নামল দেশের রিজার্ভ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ( ৭ মে) ১৫১ কোটি ডলার ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কত হয়েছে, তা জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে হিসাব করলে দেখা যায়, ১৫১ কোটি ডলার ডলার পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি এবং বিপিএম-৬ রিজার্ভ ২৯ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।

প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

৩৪ বিলিয়নের নিচে নামল দেশের রিজার্ভ

প্রকাশিত : ০৮:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার ( ৭ মে) ১৫১ কোটি ডলার ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৬ মে) পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কত হয়েছে, তা জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে হিসাব করলে দেখা যায়, ১৫১ কোটি ডলার ডলার পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি এবং বিপিএম-৬ রিজার্ভ ২৯ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।

প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।