ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বেনাপোলে মালবাহী ভারতীয় কার্গো ট্রেন থেকে ৩২০ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
শার্শা প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল রেলস্টেশনে ভারত থেকে আসা একটি মালবাহী কার্গো ট্রেন থেকে ৩২০ বোতল ভারতীয় মাদকদ্রব্য এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করেন।
বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আজিজুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, ভারত থেকে আসা একটি কার্গো ট্রেনে মাদকের চালান রয়েছে। পরে রেলওয়ে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেনটিতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে একটি বগির নিচে ইঞ্জিনের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে বাঁধা অবস্থায় ৩২০ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ দেখতে পায় পরবর্তীতে তা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া সিরাপগুলো ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে মাদকসেবীদের কাছে ব্যবহৃত হয়। সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেনাপোল রেলস্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা দুর্বল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ট্রেনযোগে মাদক পাচার হয়ে আসছে। ভারতীয় স্টেশন এলাকা থেকে চোরাকারবারীরা ট্রেনের বগির নিচে কিংবা সিলগালা করা বগির ভেতরে মাদক লুকিয়ে পাঠায়। পরে ট্রেন বাংলাদেশে পৌঁছালে তা নামিয়ে নেওয়া হয়।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, স্থলবন্দর ও রেলপথ ব্যবহার করে মাদক প্রবেশ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। অন্যথায় নিরাপদ বাণিজ্য পরিবেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বেনাপোল ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, মাঝে মধ্যে মাদক উদ্ধার হলেও চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা খুব কমই দেখা যায়। যুবসমাজকে রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সমন্বিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন।
বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার আইনাল হোসেন জানান, ভারতীয় কার্গো ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে রেলপথের নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীর।
বেনাপোল রেলওয়ে নিরাপত্তা পুলিশের কর্মকর্তা রানা ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে কার্গো ট্রেনে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি চেকপোস্ট থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও র‍‍্যাব এর যৌথ অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক -১

বেনাপোলে মালবাহী ভারতীয় কার্গো ট্রেন থেকে ৩২০ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
শার্শা প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল রেলস্টেশনে ভারত থেকে আসা একটি মালবাহী কার্গো ট্রেন থেকে ৩২০ বোতল ভারতীয় মাদকদ্রব্য এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করেন।
বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আজিজুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, ভারত থেকে আসা একটি কার্গো ট্রেনে মাদকের চালান রয়েছে। পরে রেলওয়ে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেনটিতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে একটি বগির নিচে ইঞ্জিনের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে বাঁধা অবস্থায় ৩২০ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ দেখতে পায় পরবর্তীতে তা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া সিরাপগুলো ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে মাদকসেবীদের কাছে ব্যবহৃত হয়। সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেনাপোল রেলস্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা দুর্বল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ট্রেনযোগে মাদক পাচার হয়ে আসছে। ভারতীয় স্টেশন এলাকা থেকে চোরাকারবারীরা ট্রেনের বগির নিচে কিংবা সিলগালা করা বগির ভেতরে মাদক লুকিয়ে পাঠায়। পরে ট্রেন বাংলাদেশে পৌঁছালে তা নামিয়ে নেওয়া হয়।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, স্থলবন্দর ও রেলপথ ব্যবহার করে মাদক প্রবেশ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। অন্যথায় নিরাপদ বাণিজ্য পরিবেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বেনাপোল ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, মাঝে মধ্যে মাদক উদ্ধার হলেও চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা খুব কমই দেখা যায়। যুবসমাজকে রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় সমন্বিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন।
বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার আইনাল হোসেন জানান, ভারতীয় কার্গো ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে রেলপথের নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীর।
বেনাপোল রেলওয়ে নিরাপত্তা পুলিশের কর্মকর্তা রানা ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে কার্গো ট্রেনে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি চেকপোস্ট থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।