ঢাকা ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুমকিতে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন দাবির অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ১১৪ বার দেখা হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের কাজ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়,উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে এক বৈঠকে সচিব আমিনুল ইসলাম ১০ শতাংশ কমিশন এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য আরও ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেন । এছাড়াও সরকারি ভ্যাট-ট্যাক্স ও জামানতসহ মোট ৩৭ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন খাতে দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন বলে ওই ভিডিওতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, কমিশনের এমন দাবি শুনে উপস্থিত ইউপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেন এবং বলেন, অতীতে এ ধরনের কমিশন নেওয়ার কোনো নজির ছিল না।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হতে পারে এবং তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুলাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ওসির যোগসাজশে বদলির পরও চার্জশিট দিলেন এসআই, তদন্ত করছে পুলিশ

দুমকিতে ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন দাবির অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৯:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের কাজ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়,উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে এক বৈঠকে সচিব আমিনুল ইসলাম ১০ শতাংশ কমিশন এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য আরও ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেন । এছাড়াও সরকারি ভ্যাট-ট্যাক্স ও জামানতসহ মোট ৩৭ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন খাতে দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন বলে ওই ভিডিওতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, কমিশনের এমন দাবি শুনে উপস্থিত ইউপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেন এবং বলেন, অতীতে এ ধরনের কমিশন নেওয়ার কোনো নজির ছিল না।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হতে পারে এবং তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুলাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে কমিশন নেওয়ার কোনো বিধান নেই। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।