ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ৫১ হাজার নিখোঁজ, বেঁচে ফেরার সময় ফুরিয়ে আসছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ৭২ ঘণ্টার গোল্ডেন পিরিয়ড ফুরিয়ে আসছে। সাধারণত কেউ যদি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তখন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা থাকে। এরপর আটকে পড়ারা ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ভূমিকম্পের পর দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তারা চাপা পড়ে আছেন অথবা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় সময় গত বুধবার সন্ধ্যায় প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ৪০ সেকেন্ড পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশটি। এই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের লা গুইড়া শহর।

এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে দেশটিতে ৯২০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে লা গুইরা এত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন এখানে যারাই আসতে চান তাদের অনুমতি নিতে হবে। তবে কাদের অনুমতি দেওয়া হবে সেটি স্পষ্ট নয়।

বড় দুটি ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলা অব্যাহতভাবে আফটার শক বা ছোট ছোট ভূমিকম্পে কাঁপছে। যা উদ্ধার অভিযান ব্যহত করছে।

হাওরাঞ্চলে বর্ষায় শিক্ষা ব্যবস্থার বেহালদশা শিক্ষা গ্রহনে বিঘ্নিত

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ৫১ হাজার নিখোঁজ, বেঁচে ফেরার সময় ফুরিয়ে আসছে

প্রকাশিত : ০৯:১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ৭২ ঘণ্টার গোল্ডেন পিরিয়ড ফুরিয়ে আসছে। সাধারণত কেউ যদি ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তখন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বেঁচে ফেরার সম্ভাবনা থাকে। এরপর আটকে পড়ারা ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ভূমিকম্পের পর দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার মানুষ নিখোঁজ আছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তারা চাপা পড়ে আছেন অথবা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় সময় গত বুধবার সন্ধ্যায় প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ৪০ সেকেন্ড পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশটি। এই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের লা গুইড়া শহর।

এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে দেশটিতে ৯২০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে লা গুইরা এত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন এখানে যারাই আসতে চান তাদের অনুমতি নিতে হবে। তবে কাদের অনুমতি দেওয়া হবে সেটি স্পষ্ট নয়।

বড় দুটি ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলা অব্যাহতভাবে আফটার শক বা ছোট ছোট ভূমিকম্পে কাঁপছে। যা উদ্ধার অভিযান ব্যহত করছে।