ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

কয়লার বিদ্যুৎ, অন্ধকারে জীবন ধানখালীর গণগবেষণার দাবি: কৃষি হারিয়ে দিনমজুর, সংকটে জীবিকা ও পরিবেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে নির্মিত কয়লাভিত্তিক মেগা বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, পরিবেশ ও সামাজিক কাঠামোয় গভীর প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত একটি গণগবেষণায় উঠে এসেছে, কৃষিজমি ও উন্মুক্ত জলাশয় হারিয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ তাদের চিরাচরিত কৃষি ও মৎস্যনির্ভর পেশা ছেড়ে স্বল্প আয়ের অনিশ্চিত শ্রমনির্ভর জীবনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ‘আমাদের মাটি, আমাদের জীবন’ শীর্ষক একটি বুকলেট প্রকাশের মাধ্যমে গণগবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। ধানখালী ইউনিয়নের পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ওপর স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে পরিচালিত এই গবেষণার তথ্যই বইটিতে স্থান পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া পরিবেশ ও জনসুরক্ষা মঞ্চের কার্যনির্বাহী সদস্য মেজবাহউদ্দিন মান্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তান মং, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আখতার।
গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন একশনএইড বাংলাদেশের অ্যাসোসিয়েট প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান। বক্তব্য দেন গণগবেষক মেহেদী হাসান ও হালিমা আয়েশা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রান্তজনের মাঠ সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ মাহমুদ। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা, সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
গবেষণায় বলা হয়, ধানখালীতে একাধিক কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন এসেছে। দুই বছর আগে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা প্রান্তজনের উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে গণগবেষণার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে তারাই মাঠপর্যায়ে গবেষণা পরিচালনা করেন। গবেষণাটি বাস্তবায়ন করেছে প্রান্তজন এবং সহায়তা দিয়েছে একশনএইড বাংলাদেশ।
৪৫৭ জন উত্তরদাতার ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ১৬১ জন কৃষক নিয়মিত কৃষিকাজ করতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। অর্থাৎ ১১০ জন কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছেন।

একই সময়ে গৃহিণীর সংখ্যা ৯৮ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫২ জন। গবেষকদের ভাষ্য, এই নারীদের অনেকেই আগে কৃষিকাজে যুক্ত ছিলেন। দিনমজুরের সংখ্যা ৪৯ জন থেকে বেড়ে ৭১ জন হয়েছে। আর বেকারের সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ৬৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ মানুষ নিজেদের আর্থিক অবস্থা ভালো বা খুব ভালো বলে মনে করতেন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশে। বিপরীতে ৭১ দশমিক ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, এখন তাদের জীবনযাত্রার মান খারাপ বা খুব খারাপ।
প্রতিবেদনে পরিবেশগত পরিবর্তনের বিষয়ও উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সুপেয় পানির সংকট বেড়েছে, জলাশয় নাব্যতা ও জীববৈচিত্র্য হারিয়েছে, বিশুদ্ধ বাতাসের অভাব দেখা দিয়েছে এবং মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আগে ধানখালীর নদী ও খালে ইলিশসহ ৩০টির বেশি প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত, এখন সেগুলোর অধিকাংশই প্রায় বিলুপ্ত।
গবেষণায় জনস্বাস্থ্য, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক প্রভাব এবং বাস্তুতন্ত্রের অবনতির বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত এই গবেষণায় ধানখালীর আটটি ওয়ার্ডের প্রথম পর্যায়ে ৪৫৭টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৯৬টি পরিবারের ওপর জরিপ করা হয়। পাশাপাশি উঠান বৈঠক ও মূল তথ্যদাতাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
বর্তমানে ধানখালী এলাকায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পায়রা (বিসিপিসিএল) এবং একই ক্ষমতার পটুয়াখালী (আরএনপিএল) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে। এছাড়া আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্যও জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের ফলে অন্তত ৬৮৫টি পরিবার সরাসরি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দেড় হাজার কৃষক ও জেলে পরিবার পরোক্ষভাবে জীবিকা হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
( তবে এই গবেষণার তথ্য ও দাবিগুলো স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত গণগবেষণার ফলাফল। বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ বা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আলোচনা সভায় উপস্থাপন করা হয়নি।)

জনপ্রিয় সংবাদ

গাকৃবিতে “ইয়াসে”র ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস ও শব্দ দূষণ রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন

কয়লার বিদ্যুৎ, অন্ধকারে জীবন ধানখালীর গণগবেষণার দাবি: কৃষি হারিয়ে দিনমজুর, সংকটে জীবিকা ও পরিবেশ

প্রকাশিত : ০৭:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে নির্মিত কয়লাভিত্তিক মেগা বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, পরিবেশ ও সামাজিক কাঠামোয় গভীর প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত একটি গণগবেষণায় উঠে এসেছে, কৃষিজমি ও উন্মুক্ত জলাশয় হারিয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ তাদের চিরাচরিত কৃষি ও মৎস্যনির্ভর পেশা ছেড়ে স্বল্প আয়ের অনিশ্চিত শ্রমনির্ভর জীবনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ‘আমাদের মাটি, আমাদের জীবন’ শীর্ষক একটি বুকলেট প্রকাশের মাধ্যমে গণগবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। ধানখালী ইউনিয়নের পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ওপর স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে পরিচালিত এই গবেষণার তথ্যই বইটিতে স্থান পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া পরিবেশ ও জনসুরক্ষা মঞ্চের কার্যনির্বাহী সদস্য মেজবাহউদ্দিন মান্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তান মং, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আখতার।
গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন একশনএইড বাংলাদেশের অ্যাসোসিয়েট প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান। বক্তব্য দেন গণগবেষক মেহেদী হাসান ও হালিমা আয়েশা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রান্তজনের মাঠ সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ মাহমুদ। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা, সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
গবেষণায় বলা হয়, ধানখালীতে একাধিক কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন এসেছে। দুই বছর আগে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা প্রান্তজনের উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে গণগবেষণার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে তারাই মাঠপর্যায়ে গবেষণা পরিচালনা করেন। গবেষণাটি বাস্তবায়ন করেছে প্রান্তজন এবং সহায়তা দিয়েছে একশনএইড বাংলাদেশ।
৪৫৭ জন উত্তরদাতার ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ১৬১ জন কৃষক নিয়মিত কৃষিকাজ করতেন। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। অর্থাৎ ১১০ জন কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছেন।

একই সময়ে গৃহিণীর সংখ্যা ৯৮ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫২ জন। গবেষকদের ভাষ্য, এই নারীদের অনেকেই আগে কৃষিকাজে যুক্ত ছিলেন। দিনমজুরের সংখ্যা ৪৯ জন থেকে বেড়ে ৭১ জন হয়েছে। আর বেকারের সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ৬৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ মানুষ নিজেদের আর্থিক অবস্থা ভালো বা খুব ভালো বলে মনে করতেন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশে। বিপরীতে ৭১ দশমিক ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, এখন তাদের জীবনযাত্রার মান খারাপ বা খুব খারাপ।
প্রতিবেদনে পরিবেশগত পরিবর্তনের বিষয়ও উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সুপেয় পানির সংকট বেড়েছে, জলাশয় নাব্যতা ও জীববৈচিত্র্য হারিয়েছে, বিশুদ্ধ বাতাসের অভাব দেখা দিয়েছে এবং মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আগে ধানখালীর নদী ও খালে ইলিশসহ ৩০টির বেশি প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত, এখন সেগুলোর অধিকাংশই প্রায় বিলুপ্ত।
গবেষণায় জনস্বাস্থ্য, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক প্রভাব এবং বাস্তুতন্ত্রের অবনতির বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত এই গবেষণায় ধানখালীর আটটি ওয়ার্ডের প্রথম পর্যায়ে ৪৫৭টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৯৬টি পরিবারের ওপর জরিপ করা হয়। পাশাপাশি উঠান বৈঠক ও মূল তথ্যদাতাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
বর্তমানে ধানখালী এলাকায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পায়রা (বিসিপিসিএল) এবং একই ক্ষমতার পটুয়াখালী (আরএনপিএল) কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে। এছাড়া আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্যও জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের ফলে অন্তত ৬৮৫টি পরিবার সরাসরি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় দেড় হাজার কৃষক ও জেলে পরিবার পরোক্ষভাবে জীবিকা হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
( তবে এই গবেষণার তথ্য ও দাবিগুলো স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত গণগবেষণার ফলাফল। বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ বা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আলোচনা সভায় উপস্থাপন করা হয়নি।)