ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে এলসি খোলার অনুমতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে

বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অনুকূলে-এ এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ বিষয়ে পৃথক দুটি নির্দেশনায় এ অনুমতি দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংক ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি এলসি খুলতে পারবে। এ বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্য নির্দেশনায় বলা হয়, আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭(কক)(৩) ধারার বিধান আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর হবে না।

তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্তও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, এ ধরনের ঋণ সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে এ সুবিধার জন্য রূপালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তাও দাবি করতে পারবে না।

এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় অবস্থিত। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার এ কেন্দ্রটি বেসরকারি খাতে নির্মিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র।

প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৮ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। এতে এস আলম গ্রুপের অংশীদারিত্ব ৭০ শতাংশ। বাকি ৩০ শতাংশের মালিক চীনের কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচটিজি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৬৬০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রথম ইউনিট থেকে ২০২২ সালের ২৪ মে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। একই বছরের ২৮ জুন দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

পরে ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।  এসএস পাওয়ার-১-এর দুটি ইউনিটের মোট ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

জলঢাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান-সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তারা

এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে এলসি খোলার অনুমতি

প্রকাশিত : ১২:১৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির অনুকূলে-এ এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ বিষয়ে পৃথক দুটি নির্দেশনায় এ অনুমতি দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংক ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি এলসি খুলতে পারবে। এ বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্য নির্দেশনায় বলা হয়, আমদানি এলসি খোলার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭(কক)(৩) ধারার বিধান আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর হবে না।

তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্তও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, এ ধরনের ঋণ সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে এ সুবিধার জন্য রূপালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তাও দাবি করতে পারবে না।

এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় অবস্থিত। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার এ কেন্দ্রটি বেসরকারি খাতে নির্মিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র।

প্রায় ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৮ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। এতে এস আলম গ্রুপের অংশীদারিত্ব ৭০ শতাংশ। বাকি ৩০ শতাংশের মালিক চীনের কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচটিজি।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৬৬০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রথম ইউনিট থেকে ২০২২ সালের ২৪ মে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। একই বছরের ২৮ জুন দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

পরে ২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারি কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।  এসএস পাওয়ার-১-এর দুটি ইউনিটের মোট ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।