ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

দুমকিতে মসজিদের মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

দুমকিপ্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে মসজিদ থেকে মুহাম্মদ সায়েম (২০) নামে এক মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর পেছনে কোনো রহস্য আছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুহাম্মদ সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের মরহুম জব্বার মৃধার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদে সায়েম মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর হাওলাদার বাড়ির মো: ইউসুফ হাওলাদার সায়েমকে তার থাকার রুমে পড়ে থাকতে দেখেন এবং উপরে স্লিংয়ের সাথে একটা দড়ি টাঙানো দেখতে পান। পরে লোকজন ডাক দিলে স্থানীয়রা তাকে মৃত অবস্থায় মসজিদের বারান্দায় নিয়ে যান।
কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউই বলতে পারেননি। তবে দড়ি টাঙানো দেখতে পাওয়ায় অনেকের ধারণা, সায়েম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। কিন্তু স্বজনদের ধারণা, তার মৃত্যুর মধ্যে রহস্য রয়েছে।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সেলিম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কি কারণে মৃত্যু হয়েছে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুমকিতে মসজিদের মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত : ১১:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

দুমকিপ্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকিতে মসজিদ থেকে মুহাম্মদ সায়েম (২০) নামে এক মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর পেছনে কোনো রহস্য আছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুহাম্মদ সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের মরহুম জব্বার মৃধার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদে সায়েম মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর হাওলাদার বাড়ির মো: ইউসুফ হাওলাদার সায়েমকে তার থাকার রুমে পড়ে থাকতে দেখেন এবং উপরে স্লিংয়ের সাথে একটা দড়ি টাঙানো দেখতে পান। পরে লোকজন ডাক দিলে স্থানীয়রা তাকে মৃত অবস্থায় মসজিদের বারান্দায় নিয়ে যান।
কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা কেউই বলতে পারেননি। তবে দড়ি টাঙানো দেখতে পাওয়ায় অনেকের ধারণা, সায়েম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে। কিন্তু স্বজনদের ধারণা, তার মৃত্যুর মধ্যে রহস্য রয়েছে।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সেলিম উদ্দীন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কি কারণে মৃত্যু হয়েছে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।