জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধিঃ ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ ও ফ্যাসিস্ট দোসর জাতীয় পার্টির কর্মীদের নিয়ে গঠিত কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা যুবদলের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
শনিবার বেলা ১২টায় উপজেলার নতুন বাজার জম জম রেস্টুডন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দুমকি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ঘোষিত দুমকি উপজেলা শাখা যুবদলের নতুন কমিটিতে দলের গঠনতন্ত্র পুরোপুরি লঙ্ঘন করা হয়েছে। বিগত দিনে রাজপথে নিষ্ক্রিয়, অরাজনৈতিক এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে ত্যাগী ও আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখা রাজপথের স্থায়ী কর্মীদের সম্পূর্ণ অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
তারা অভিযোগ করেন, কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে মোঃ জাকির হোসেন মিলনকে। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছরে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেননি এবং দুমকি উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাদের নিয়মিত মটরসাইকেল চালক ছিলেন। সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়েছে মোঃ মিজানুর রহমান লাল মিয়াকে। তিনি জাতীয় পার্টির একজন পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ জোট সরকারের সাবেক সংসদ সদস্যকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করেন।
সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মোঃ জাহিদুল ইসলাম রুবেলকে। তার প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর থেকে তিনি বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন। দেশে ফিরে তিনি ভাতের হোটেলের ব্যবসা শুরু করেন। টাকার মাধ্যমে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।নেতারা আরও বলেন, ২৬ আগস্ট থেকে যুবদলের ঘোষিত কমিটির বিরুদ্ধে আমরা দুমকি উপজেলার যুবদল যে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি তাতে প্রশ্নের কোন অবকাশ নাই।
সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে বিতর্কিত এই কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দুমকি উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন হাওলাদার, জসিম উদ্দিন শম্ভু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান নান্নু, সহিদুল ইসলাম সরদার, সদস্য মিজানুর রহমান ও শামীম আহমেদ প্রমুখ। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সহিদুল ইসলাম সরদার ও জাকির হোসেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















