ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

দুমকিতে ৩৯৭জেলে পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধি: ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে নদীতে মাছ ধরার ওপর চলমান ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের সহায়তায় পটুয়াখালীর দুমকিতে ৩৯৭ জেলে পরিবারের মধ্যে বিশেষ ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নে সরকারি এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত ৪১৭টি জেলে পরিবারের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৩৯৭টি পরিবার এ সহায়তার আওতায় চাল পেয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময়ে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল জেলে পরিবারগুলোর আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে চাল সহায়তা দিয়ে থাকে।
মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দীঘিনালায় কুরআনের সবকে ২৬ শিশু, মাদ্রাসার সড়কে জলাবদ্ধতা

দুমকিতে ৩৯৭জেলে পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দুমকি প্রতিনিধি: ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে নদীতে মাছ ধরার ওপর চলমান ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়া জেলেদের সহায়তায় পটুয়াখালীর দুমকিতে ৩৯৭ জেলে পরিবারের মধ্যে বিশেষ ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নে সরকারি এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত ৪১৭টি জেলে পরিবারের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৩৯৭টি পরিবার এ সহায়তার আওতায় চাল পেয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত ২২ দিন ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময়ে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল জেলে পরিবারগুলোর আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে চাল সহায়তা দিয়ে থাকে।
মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।