ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

দেশে ফিরেছে জুলাই অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৬৮ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত শিশু বাসিত খান মুসা (৭) সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে দেশে ফিরেন। ৫ মাস ১২ দিন পর সে দেশে ফিরল।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে আসা হয়।

গত বছরের ১৯ জুলাই মেরাদিয়া হাট এলাকায় তার বাসার নিচে দাদী মায়া ইসলামসহ আইসক্রিম কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন শিশু মুসা। ওই ঘটনার পর দিন মুসার দাদী মায়া ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অন্যপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর, ২৬ আগস্ট তাকে স্থানান্তরিত করা হয় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)।

পরে, সরকারের সিদ্ধান্তে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২২ অক্টোবর সিঙ্গাপুর পাঠানো হয় মুসাকে। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে তিনি বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন।

মুসা মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান। তার বাবা-মা মালিবাগে একটি ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকান পরিচালনা করেন।

দেশে ফিরেছে জুলাই অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

প্রকাশিত : ১২:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত শিশু বাসিত খান মুসা (৭) সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে দেশে ফিরেন। ৫ মাস ১২ দিন পর সে দেশে ফিরল।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সামরিক বাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে আসা হয়।

গত বছরের ১৯ জুলাই মেরাদিয়া হাট এলাকায় তার বাসার নিচে দাদী মায়া ইসলামসহ আইসক্রিম কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন শিশু মুসা। ওই ঘটনার পর দিন মুসার দাদী মায়া ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন। মুসার মাথার একপাশ দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অন্যপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর, ২৬ আগস্ট তাকে স্থানান্তরিত করা হয় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)।

পরে, সরকারের সিদ্ধান্তে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ২২ অক্টোবর সিঙ্গাপুর পাঠানো হয় মুসাকে। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে তিনি বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন।

মুসা মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান। তার বাবা-মা মালিবাগে একটি ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকান পরিচালনা করেন।