ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

গুম বন্ধে রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫৪ বার দেখা হয়েছে

গুম বন্ধে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষ্যে গুমকৃতদের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্মম ও অমানবিক গুম মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। গুম বন্ধে রাজনৈতিক দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাতে হবে।

সরকারের প্রতি যে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয় সেগুলো হলো–

১. অনতিবিলম্বে গুম হওয়া সবাইকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা তাদের সঠিক অবস্থার তথ্য জানাতে হবে।

২. দ্রুততম সময়ে প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ব্যবহৃত সব ধরনের ‘আয়নাঘর’-এর বিস্তারিত তথ্য জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।

৪. গুমকৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং গুম থেকে ফেরত আসা সব নির্যাতিত ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. বাংলাদেশের র‌্যাব, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ সংস্কার করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ গুম, খুন, ক্রসফায়ারের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, গুম হওয়া শফিকুল ইসলামের ভাই সাদেক হোসেন, রেজোয়ান হোসেনের ভাই রিপন হোসেন, মুকাদ্দাস আলীর পিতা আব্দুল হালিম, হাফেজ জাকির হোসেনের ভাই জিয়াউর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, তথ্য সম্পাদক আবু সায়েদ সুমন প্রমুখ।

একজন মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় স্বার্থকতা হলো আল্লাহকে খুশি করা -ছারছীনার পীর ছাহেব

গুম বন্ধে রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি

প্রকাশিত : ১১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

গুম বন্ধে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষ্যে গুমকৃতদের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্মম ও অমানবিক গুম মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। গুম বন্ধে রাজনৈতিক দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘটাতে হবে।

সরকারের প্রতি যে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয় সেগুলো হলো–

১. অনতিবিলম্বে গুম হওয়া সবাইকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা তাদের সঠিক অবস্থার তথ্য জানাতে হবে।

২. দ্রুততম সময়ে প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ব্যবহৃত সব ধরনের ‘আয়নাঘর’-এর বিস্তারিত তথ্য জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।

৪. গুমকৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং গুম থেকে ফেরত আসা সব নির্যাতিত ব্যক্তির জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. বাংলাদেশের র‌্যাব, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ সংস্কার করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ গুম, খুন, ক্রসফায়ারের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আযমী, গুম হওয়া শফিকুল ইসলামের ভাই সাদেক হোসেন, রেজোয়ান হোসেনের ভাই রিপন হোসেন, মুকাদ্দাস আলীর পিতা আব্দুল হালিম, হাফেজ জাকির হোসেনের ভাই জিয়াউর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, তথ্য সম্পাদক আবু সায়েদ সুমন প্রমুখ।