ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অনিয়মের সত্যতা পেল দুদক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:১৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩২৭ বার দেখা হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দুদকের সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়।

দুদকের সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী জানান, বাজার মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি না করার ফলে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে অসাধু ব্যক্তিরা উচ্চমূল্যের জমি কম মূল্যে দলিল করে সুবিধা নিচ্ছে।

পৌরসভার জমির দলিল করার সময় আয়কর প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও কয়েকটি দলিলে আয়কর প্রত্যয়নপত্র পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বায়না নামা রেজিস্ট্রার যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয় না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্টার মো. নাহিদুল ইসলাম বলেন, আজ দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালায়।

তিনি আরও বলেন, দলটি অফিসে আসা সেবাপ্রার্থী, অফিস স্টাফসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা প্রত্যেকটি কাজ গুরুত্বসহকারে করে থাকি। আর দুদক যে অনিয়মের কথা বলেছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক, অপসারণ দাবি করছে এনসিপি

ঠাকুরগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অনিয়মের সত্যতা পেল দুদক

প্রকাশিত : ১০:১৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দুদকের সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়।

দুদকের সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী জানান, বাজার মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি না করার ফলে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে অসাধু ব্যক্তিরা উচ্চমূল্যের জমি কম মূল্যে দলিল করে সুবিধা নিচ্ছে।

পৌরসভার জমির দলিল করার সময় আয়কর প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও কয়েকটি দলিলে আয়কর প্রত্যয়নপত্র পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বায়না নামা রেজিস্ট্রার যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয় না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্টার মো. নাহিদুল ইসলাম বলেন, আজ দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রানীশংকৈল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালায়।

তিনি আরও বলেন, দলটি অফিসে আসা সেবাপ্রার্থী, অফিস স্টাফসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা প্রত্যেকটি কাজ গুরুত্বসহকারে করে থাকি। আর দুদক যে অনিয়মের কথা বলেছে তা খতিয়ে দেখা হবে।