ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:২৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৯৫ বার দেখা হয়েছে

গ্র্যাচুইটির পাওনা টাকার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ‘ঠাকুরগাঁও চিনিকল লিমিডেট’-এর ব্যানারে সুপারমিলের সামনে এ কর্মসুচি পালন করে।

সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৮-২৫ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ২৯১ জন শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তার ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ওবাইদুর রহমান, নাসিমুর রহমান, আব্দুর রহমান, রুহুল আমিন,মকবুল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদসহ অকেকেই অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটি বাবদ ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা সহ অন্যান্য পাওনাদি এখনো পরিশোধ করেননি। সে কারনে আজ রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এর আগে তারা বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন। কর্মসুচি পালন শেষে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান কবিরের মাধ্যমে  প্রধান উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয় বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য দাবিসমুহ কাগজপত্র তুলে দেন।

ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান কবির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা টাকার কথা স্বীকার করে বলেন, স্বারকলিপির কপিটি চিনি শিল্পের হেড অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। হেড অফিসই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

অ্যাপ্লাইড আইসিটি পড়াতে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরির উদ্যোগ

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৫:২৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

গ্র্যাচুইটির পাওনা টাকার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ‘ঠাকুরগাঁও চিনিকল লিমিডেট’-এর ব্যানারে সুপারমিলের সামনে এ কর্মসুচি পালন করে।

সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৮-২৫ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ২৯১ জন শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তার ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ওবাইদুর রহমান, নাসিমুর রহমান, আব্দুর রহমান, রুহুল আমিন,মকবুল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদসহ অকেকেই অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটি বাবদ ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা সহ অন্যান্য পাওনাদি এখনো পরিশোধ করেননি। সে কারনে আজ রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এর আগে তারা বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন। কর্মসুচি পালন শেষে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান কবিরের মাধ্যমে  প্রধান উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয় বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য দাবিসমুহ কাগজপত্র তুলে দেন।

ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান কবির অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা টাকার কথা স্বীকার করে বলেন, স্বারকলিপির কপিটি চিনি শিল্পের হেড অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। হেড অফিসই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।