ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

মোবাইলে তালাক বলায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৯১ বার দেখা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবাসী স্বামী মোবাইল ফোনে তালাক বলায় মারিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ বিষ ট্যাবলেট পান করে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে অচেতন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারিয়া আক্তার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের চান্দি গ্রামের আইয়ুব মিয়ার মেয়ে।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের পর ২ বছর আগে তানজিল চৌধুরী ও মারিয়া আক্তার বিয়ে করেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে ঝগড়া হতো। শনিবার মোবাইলে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার সময় দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে স্বামী তালাক দেবেন বলে জানান। এই অভিমানে বিষ ট্যাবলেট পান করে আত্মহত্যা করেন মারিয়া।

সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

মোবাইলে তালাক বলায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবাসী স্বামী মোবাইল ফোনে তালাক বলায় মারিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ বিষ ট্যাবলেট পান করে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে অচেতন অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারিয়া আক্তার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের চান্দি গ্রামের আইয়ুব মিয়ার মেয়ে।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের পর ২ বছর আগে তানজিল চৌধুরী ও মারিয়া আক্তার বিয়ে করেন। বিয়ের পর বনিবনা না হওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে ঝগড়া হতো। শনিবার মোবাইলে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার সময় দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে স্বামী তালাক দেবেন বলে জানান। এই অভিমানে বিষ ট্যাবলেট পান করে আত্মহত্যা করেন মারিয়া।

সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা নিয়ে তদন্ত চলছে।