ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

মহাকাশে যাবেন পঙ্গু নারী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৩৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

হুইলচেয়ার ব্যবহার করা এক পঙ্গু নারী যাবেন মহাকাশে। তাকে মহাকাশে পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবের জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন।

মাইকেলা বেনাথাস নামে এ নারী পেশায় এবং মহাকাশ ও মেকাটনিক্স প্রকৌশলী। তিনি আরও পাঁচজনের সঙ্গে ব্লু অরিজিনের নিউ শেফার্ড রকেটের মাধ্যমে এনএস-৩৭ মিশনের মাধ্যমে মহাকাশে যাবেন।

২০১৮ সালে পাহাড়ে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে পায়ে মারাত্মক আঘাত পান মাইকেলা বেনাথাস। এরপর পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তখন থেকেই হুইলচেয়ারে করে চলাচল করেন তিনি।

তবে তারা কোনো মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করবেন না। এরপর বদলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে মহাকাশে গিয়েই আবার ফিরে আসবেন। তারা রকেটের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার উপরে উঠবেন। আন্তর্জাতিকভাবে পৃথিবীর ১০০ কিলোমিটার উপরের অংশকে মহাকাশ হিসেবে ধরা হয়।

ব্লু অরিজিন অর্থের মাধ্যমে মানুষকে মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ দেয়। তবে এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যদিও প্রতিষ্ঠানটি খরচের বিষয়টি এখনো প্রকাশ করেনি। কিন্তু আগে যারা মহাকাশে গেছেন তাদের প্রত্যেকের ২ থেকে ৩ লাখ মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি অর্থের হিসেবে এটি ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সমান।

মাইকেলা বেনাথাস যে পাঁচজনের সঙ্গে মহাকাশে যাবেন তাদের মধ্যে দুজন এই অভিযানের অর্থায়ন করেছেন বলে শোনা গেছে।

মহাকাশে যাবেন পঙ্গু নারী

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

হুইলচেয়ার ব্যবহার করা এক পঙ্গু নারী যাবেন মহাকাশে। তাকে মহাকাশে পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্রের ধনকুবের জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন।

মাইকেলা বেনাথাস নামে এ নারী পেশায় এবং মহাকাশ ও মেকাটনিক্স প্রকৌশলী। তিনি আরও পাঁচজনের সঙ্গে ব্লু অরিজিনের নিউ শেফার্ড রকেটের মাধ্যমে এনএস-৩৭ মিশনের মাধ্যমে মহাকাশে যাবেন।

২০১৮ সালে পাহাড়ে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে পায়ে মারাত্মক আঘাত পান মাইকেলা বেনাথাস। এরপর পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় তাকে। তখন থেকেই হুইলচেয়ারে করে চলাচল করেন তিনি।

তবে তারা কোনো মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান করবেন না। এরপর বদলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে মহাকাশে গিয়েই আবার ফিরে আসবেন। তারা রকেটের মাধ্যমে পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার উপরে উঠবেন। আন্তর্জাতিকভাবে পৃথিবীর ১০০ কিলোমিটার উপরের অংশকে মহাকাশ হিসেবে ধরা হয়।

ব্লু অরিজিন অর্থের মাধ্যমে মানুষকে মহাকাশে যাওয়ার সুযোগ দেয়। তবে এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যদিও প্রতিষ্ঠানটি খরচের বিষয়টি এখনো প্রকাশ করেনি। কিন্তু আগে যারা মহাকাশে গেছেন তাদের প্রত্যেকের ২ থেকে ৩ লাখ মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি অর্থের হিসেবে এটি ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার সমান।

মাইকেলা বেনাথাস যে পাঁচজনের সঙ্গে মহাকাশে যাবেন তাদের মধ্যে দুজন এই অভিযানের অর্থায়ন করেছেন বলে শোনা গেছে।