ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

অন-অ্যারাইভাল ভিসায় কঠোর হচ্ছে সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে বিদেশি নাগরিকদের দেশে প্রবেশের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখছে সরকার। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে বিদেশি নাগরিকদের স্পন্সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি, হোটেল বা আবাসস্থল এবং ফিরতি টিকিটসহ সামগ্রিক গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হবে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও জারি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশি নাগরিকদের ভিসা ও আগমন-প্রস্থানের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভিসা প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপ আইনসম্মত হলেও, একই সঙ্গে বৈধ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে যেন অযথা বিঘ্ন না ঘটে, সেই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এ ছাড়া সমন্বিত নজরদারি, স্বচ্ছ ভিসা প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হলে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনও সম্ভব হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের ভিসা ব্যবস্থাপনায় একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন ও সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন চায়— নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করুন। একই সঙ্গে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও যেন বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময়সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অন-অ্যারাইভাল ভিসায় কঠোর হচ্ছে সরকার

প্রকাশিত : ০৫:০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে বিদেশি নাগরিকদের দেশে প্রবেশের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখছে সরকার। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে বিদেশি নাগরিকদের স্পন্সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি, হোটেল বা আবাসস্থল এবং ফিরতি টিকিটসহ সামগ্রিক গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হবে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও জারি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশি নাগরিকদের ভিসা ও আগমন-প্রস্থানের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভিসা প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপ আইনসম্মত হলেও, একই সঙ্গে বৈধ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে যেন অযথা বিঘ্ন না ঘটে, সেই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এ ছাড়া সমন্বিত নজরদারি, স্বচ্ছ ভিসা প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হলে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনও সম্ভব হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের ভিসা ব্যবস্থাপনায় একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন ও সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন চায়— নির্বাচনের সময় পর্যবেক্ষকরা স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করুন। একই সঙ্গে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও যেন বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময়সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।