ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অক্ষত হাওর রক্ষা বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 90?

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত হাওর রক্ষা বাঁধ মেরামতের জন্য ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর ও আছিমপুর গ্রামের মধ্যস্থানে অবস্থিত গোপাইলখালি ক্লোজার নামক স্থানে এ কাজ করা হয়েছে। এ ক্লোজারে অতীতে নির্মিত বাঁধ এখনো প্রায় অক্ষত আছে। এ অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ২২নং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের উপর-বিভাগে অল্প মাটি ফেলে সুন্দর করে কাজ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে অনেকের সাথে আলাপকালে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতে নির্মিত বাঁধটি এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে। তবে বাঁধের মধ্যস্থানে ছোট-খাটো ভাঙাচোরা ছিল। যা মেরামত করতে অল্প মাটির প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। এ কাজের জন্য এতো টাকা কেন?
প্রকল্প সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি অনেক দূরে আছি, পরে কথা হবে। সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান জানান, আমি অসুস্থ আসতে পারছি না, আপনি কাজ দেখে যান।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, এখানে ক্লোজার ছিল। এ জন্য প্রকল্প দেয়া হয়েছে। এটি অক্ষত বাঁধ ছিল না।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, কোথাও অক্ষত বাঁধে প্রকল্প দেয়ার কথা নয়। তা যদি হয়, সরেজমিনে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

সুপার এইটে ভারত

অক্ষত হাওর রক্ষা বাঁধে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত : ১০:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রায় অক্ষত হাওর রক্ষা বাঁধ মেরামতের জন্য ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর ও আছিমপুর গ্রামের মধ্যস্থানে অবস্থিত গোপাইলখালি ক্লোজার নামক স্থানে এ কাজ করা হয়েছে। এ ক্লোজারে অতীতে নির্মিত বাঁধ এখনো প্রায় অক্ষত আছে। এ অক্ষত বাঁধ মেরামতের জন্য ২২নং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ লাখ ১২ হাজার ১৩৭ টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের উপর-বিভাগে অল্প মাটি ফেলে সুন্দর করে কাজ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে অনেকের সাথে আলাপকালে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অতীতে নির্মিত বাঁধটি এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে। তবে বাঁধের মধ্যস্থানে ছোট-খাটো ভাঙাচোরা ছিল। যা মেরামত করতে অল্প মাটির প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। এ কাজের জন্য এতো টাকা কেন?
প্রকল্প সভাপতি জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি অনেক দূরে আছি, পরে কথা হবে। সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান জানান, আমি অসুস্থ আসতে পারছি না, আপনি কাজ দেখে যান।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, এখানে ক্লোজার ছিল। এ জন্য প্রকল্প দেয়া হয়েছে। এটি অক্ষত বাঁধ ছিল না।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, কোথাও অক্ষত বাঁধে প্রকল্প দেয়ার কথা নয়। তা যদি হয়, সরেজমিনে দেখে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে হবে।