ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“নতুন করে শপথ গ্রহণের প্রয়োজন নেই, সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ কার্যকর হবে” —-পানিসম্পদ মন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বাংলাদেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়েছে। বিএনপি সরকার হিসেবে শপথও নিয়েছে। ‘হ্যাঁ’ – ‘না’ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণে পার্লামেন্টে বিলটি উত্থাপন হবে। ‘হ্যাঁ’ তথা জুলাই সনদ সংস্কার সভায় নতুন করে শপথ গ্রহণের কোন প্রয়োজন নেই। জাতীয় সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে এবং এটাই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে।
তিনি বলেন, যেখানে ‘না’ ভোট জয় হয়েছে- সেই ‘না’ ভোট অনুযায়ী পার্লামেন্টে উত্থাপন হবে, আলোচনা হবে- তার ভিত্তিতে আবারও নির্ধারণ হবে ‘না’ তথা যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেখানে কি হবে পার্লামেন্ট নির্ধারণ করবে।
আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহান ভাষা শহীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ১১ দলীয়জোটকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ তথা জুলাই সনদ সংস্কারসভা শপথ নিয়ে বিরোধী দল যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ‘রং’ (ভুল)। যারা আইনবিদ ইতোমধ্যে বক্তব্যের মধ্যে তাদের মতামত দিয়েছেন। সুতরাং তাদের (বিরোধীদল) আরেকটু জানা দরকার এবং সুন্দর ভাবে বলা দরকার। গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য যে সিদ্ধান্তটি জন সাধারণ দিয়েছেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে- সেটি অটোমেটিক নীতি নির্ধারক অনুযায়ী দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে পার্লামেন্টে রেইজ করার মধ্য দিয়ে কার্যকরি হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মত-পদ ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু সব ইস্যুতে বিরোধীতা করবো’-সেই জায়গা থেকে পিছিয়ে এসে দেশটা গড়ার জন্য সবাই মিলে কাজ করি সেক্ষেত্রে সবার আন্তরিকতা প্রয়োজন।
এসময় মব কালচার থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে এ্যানি বলেন, মব মানে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করা। এতে বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাঁধা হতে পারে। সুতরাং যারা দেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হবে তারাই দেশের শত্রু হিসেবে পরিণত হবে। মব কালচার থেকে ফিরে এসে দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে আমাদের কথা বলতে হবে, সরকার এবং দেশকে সহযোগিতা করার জন্য কাজ করা উচিত। কেউ যদি বাহিরে কিছু করতে চান সেটার জন্য দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে।
এসময় মহান ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আগামী দিনে এদেশের গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার- সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জনপ্রিয় সংবাদ

“নতুন করে শপথ গ্রহণের প্রয়োজন নেই, সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ কার্যকর হবে” —-পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:০৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বাংলাদেশে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়েছে। বিএনপি সরকার হিসেবে শপথও নিয়েছে। ‘হ্যাঁ’ – ‘না’ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণে পার্লামেন্টে বিলটি উত্থাপন হবে। ‘হ্যাঁ’ তথা জুলাই সনদ সংস্কার সভায় নতুন করে শপথ গ্রহণের কোন প্রয়োজন নেই। জাতীয় সংসদে বসা মাত্রই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে এবং এটাই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে।
তিনি বলেন, যেখানে ‘না’ ভোট জয় হয়েছে- সেই ‘না’ ভোট অনুযায়ী পার্লামেন্টে উত্থাপন হবে, আলোচনা হবে- তার ভিত্তিতে আবারও নির্ধারণ হবে ‘না’ তথা যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেখানে কি হবে পার্লামেন্ট নির্ধারণ করবে।
আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহান ভাষা শহীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় ১১ দলীয়জোটকে উদ্দেশ্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ তথা জুলাই সনদ সংস্কারসভা শপথ নিয়ে বিরোধী দল যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ‘রং’ (ভুল)। যারা আইনবিদ ইতোমধ্যে বক্তব্যের মধ্যে তাদের মতামত দিয়েছেন। সুতরাং তাদের (বিরোধীদল) আরেকটু জানা দরকার এবং সুন্দর ভাবে বলা দরকার। গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য যে সিদ্ধান্তটি জন সাধারণ দিয়েছেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে- সেটি অটোমেটিক নীতি নির্ধারক অনুযায়ী দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে পার্লামেন্টে রেইজ করার মধ্য দিয়ে কার্যকরি হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মত-পদ ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু সব ইস্যুতে বিরোধীতা করবো’-সেই জায়গা থেকে পিছিয়ে এসে দেশটা গড়ার জন্য সবাই মিলে কাজ করি সেক্ষেত্রে সবার আন্তরিকতা প্রয়োজন।
এসময় মব কালচার থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে এ্যানি বলেন, মব মানে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করা। এতে বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাঁধা হতে পারে। সুতরাং যারা দেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হবে তারাই দেশের শত্রু হিসেবে পরিণত হবে। মব কালচার থেকে ফিরে এসে দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে আমাদের কথা বলতে হবে, সরকার এবং দেশকে সহযোগিতা করার জন্য কাজ করা উচিত। কেউ যদি বাহিরে কিছু করতে চান সেটার জন্য দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে।
এসময় মহান ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আগামী দিনে এদেশের গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার- সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।