ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ইরানি সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতে মহড়া শেষে ফিরছিল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

ভারতে নৌ মহড়া শেষে ফেরার পথে শ্রীলঙ্কার কাছে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবে যাওয়া ইরানি যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনার’ অন্তত ৮৭ আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি ওই যুদ্ধজাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় আরও কমপক্ষে ৬২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

ইরানি এই ফ্রিগেট ২০২৪ সালেও বহুজাতিক নৌ মহড়া ‘মিলানে’ অংশ নিতে ভারতে এসেছিল। চলতি বছরও ‘মিলান ২০২৬’-এ যোগ দিতে ইরানের এই যুদ্ধজাহাজ ভারতের জলসীমায় পৌঁছায়। মহড়া শেষ করে দেশের পথে যাত্রা করলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইরিস ডেনা আর গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিনের ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে ডুবে গেছে সেটি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছিল, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম ওই বহুজাতিক মহড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীকে একত্রিত করবে। এর লক্ষ্য ছিল সমুদ্রসীমায় পারস্পরিক সহযোগিতা, সচেতনতা এবং সম্মিলিত মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মহড়ার হারবার ও সি-ফেজে সাবমেরিন-বিরোধী যুদ্ধ, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানের মতো জটিল কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের সাবমেরিনের পেরিস্কোপে ধরা পড়া একটি সাদাকালো ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দূরে একটি বিস্ফোরণ হতে দেখা যায়। কোনও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সাবমেরিন থেকে হামলার এমন তাৎক্ষণিক দৃশ্য প্রকাশ করা নজিরবিহীন। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্র এবং তথ্য আদান-প্রদানের ধরনে এক বিশাল পরিবর্তন এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন পেরিস্কোপ গভীরতায় থাকলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ তা শনাক্ত করতে পারেনি। মিলান ২০২৬-এ অংশ নিতে আসার সময় থেকেই মার্কিন সাবমেরিন ইরানি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান থেকে ভারত পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথে মার্কিন সাবমেরিনটি গোপনে আইরিস ডেনাকে নজরদারিতে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য এক দেশের নৌবাহিনীর অন্য দেশের জাহাজকে এভাবে অনুসরণ করার সাধারণ সামরিক চর্চা রয়েছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন পেরিস্কোপ গভীরতায় থাকলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ তা শনাক্ত করতে পারেনি। মিলান ২০২৬-এ অংশ নিতে আসার সময় থেকেই মার্কিন সাবমেরিন ইরানি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান থেকে ভারত পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথে মার্কিন সাবমেরিনটি গোপনে আইরিস ডেনাকে নজরদারিতে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য এক দেশের নৌবাহিনীর অন্য দেশের জাহাজকে এভাবে অনুসরণ করার সাধারণ সামরিক চর্চা রয়েছে।

 

ইরানি সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতে মহড়া শেষে ফিরছিল

ইরানি সেই যুদ্ধজাহাজ ভারতে মহড়া শেষে ফিরছিল

প্রকাশিত : ০২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

ভারতে নৌ মহড়া শেষে ফেরার পথে শ্রীলঙ্কার কাছে মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবে যাওয়া ইরানি যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনার’ অন্তত ৮৭ আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি ওই যুদ্ধজাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় আরও কমপক্ষে ৬২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

ইরানি এই ফ্রিগেট ২০২৪ সালেও বহুজাতিক নৌ মহড়া ‘মিলানে’ অংশ নিতে ভারতে এসেছিল। চলতি বছরও ‘মিলান ২০২৬’-এ যোগ দিতে ইরানের এই যুদ্ধজাহাজ ভারতের জলসীমায় পৌঁছায়। মহড়া শেষ করে দেশের পথে যাত্রা করলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইরিস ডেনা আর গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিনের ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে ডুবে গেছে সেটি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছিল, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম ওই বহুজাতিক মহড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীকে একত্রিত করবে। এর লক্ষ্য ছিল সমুদ্রসীমায় পারস্পরিক সহযোগিতা, সচেতনতা এবং সম্মিলিত মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মহড়ার হারবার ও সি-ফেজে সাবমেরিন-বিরোধী যুদ্ধ, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানের মতো জটিল কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের সাবমেরিনের পেরিস্কোপে ধরা পড়া একটি সাদাকালো ভিডিও প্রকাশ করেছে। যেখানে দূরে একটি বিস্ফোরণ হতে দেখা যায়। কোনও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সাবমেরিন থেকে হামলার এমন তাৎক্ষণিক দৃশ্য প্রকাশ করা নজিরবিহীন। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্র এবং তথ্য আদান-প্রদানের ধরনে এক বিশাল পরিবর্তন এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন পেরিস্কোপ গভীরতায় থাকলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ তা শনাক্ত করতে পারেনি। মিলান ২০২৬-এ অংশ নিতে আসার সময় থেকেই মার্কিন সাবমেরিন ইরানি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান থেকে ভারত পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথে মার্কিন সাবমেরিনটি গোপনে আইরিস ডেনাকে নজরদারিতে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য এক দেশের নৌবাহিনীর অন্য দেশের জাহাজকে এভাবে অনুসরণ করার সাধারণ সামরিক চর্চা রয়েছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন পেরিস্কোপ গভীরতায় থাকলেও ইরানি যুদ্ধজাহাজ তা শনাক্ত করতে পারেনি। মিলান ২০২৬-এ অংশ নিতে আসার সময় থেকেই মার্কিন সাবমেরিন ইরানি জাহাজটিকে অনুসরণ করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান থেকে ভারত পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথে মার্কিন সাবমেরিনটি গোপনে আইরিস ডেনাকে নজরদারিতে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য এক দেশের নৌবাহিনীর অন্য দেশের জাহাজকে এভাবে অনুসরণ করার সাধারণ সামরিক চর্চা রয়েছে।