ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইফতারের আগে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে থানায় হাজির স্বামী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় ইফতারের আগ মুহূর্তে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী নিজ স্ত্রীকে হত্যা করে তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির হলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পতেঙ্গা থানা এলাকার দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

পতেঙ্গা থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের নাম হালিমা আক্তার (৩০)। তার পিতা আব্দুল মান্নান এবং মাতার নাম নুর নাহার। অপরদিকে অভিযুক্ত স্বামীর নাম জহিরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আজ (শনিবার) ইফতারের কিছুক্ষণ আগে তাদের বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এক পর্যায়ে হালিমার স্বামী তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় এক মাস ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল।

চট্টগ্রাম নগরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, দুই প্রতিষ্ঠানে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা

ইফতারের আগে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে থানায় হাজির স্বামী

প্রকাশিত : ০৯:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় ইফতারের আগ মুহূর্তে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী নিজ স্ত্রীকে হত্যা করে তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির হলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পতেঙ্গা থানা এলাকার দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

পতেঙ্গা থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের নাম হালিমা আক্তার (৩০)। তার পিতা আব্দুল মান্নান এবং মাতার নাম নুর নাহার। অপরদিকে অভিযুক্ত স্বামীর নাম জহিরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আজ (শনিবার) ইফতারের কিছুক্ষণ আগে তাদের বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এক পর্যায়ে হালিমার স্বামী তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় এক মাস ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল।