ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

চতুর্মুখী হুমকিতে ইসরায়েল, ফুরিয়ে আসছে ইন্টারসেপ্টর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

এক মাসে গড়ানো ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয়েছে ইসরায়েল। ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিজবুল্লাহর পর ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন দিক থেকে হুমকির মুখে পড়েছে ইসরায়েল। এর ফলে হামলা ঠেকাতে রীতিমতো বেকায়দা পড়েছে ইসরায়েলের আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।’

পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিনিধি নূর ওদেহ বলেছেন, ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্য শুনলে আপনার মনে হতে পারে যে দেশটি এই যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বারবার দাবি করছেন, ইসরায়েল সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ইরান কোণঠাসা হয়ে পড়েছে; সামনে আরও বড় আঘাত আসছে।

তবে ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করার সুযোগটি হাতছাড়া করছে না। তারা অভিযোগ করছে, নেতানিয়াহুর কাছে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই এবং তিনি ইসরায়েলের সক্ষমতা নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করছেন।

যুদ্ধ শুরুর এক মাস পার হয়ে গেলেও ইসরায়েল এখনও ইরানি হামলার হুমকির মুখে রয়েছে। পাশাপাশি হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও অব্যাহত রয়েছে। এখন হুতিদের পক্ষ থেকে তৃতীয় একটি ফ্রন্ট বা যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েল নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং পদ্ধতি আরোপ করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ সব দিক থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও বহুমুখী হুমকি মোকাবিলা করতে গিয়ে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রমাগত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত বিপজ্জনক হারে কমে আসছে।

সামরিক বিশ্লেষক ও কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ইরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের দিক থেকে ধেয়ে আসা শত শত ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ইসরায়েলকে তাদের সবচেয়ে উন্নত ‘অ্যারো’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ সিস্টেম ব্যবহার করতে হচ্ছে। একেকটি ‘অ্যারো’ ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের পেছনে খরচ হয় কয়েক লাখ ডলার। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মিসাইল খরচ হওয়ায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারীরা চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

চতুর্মুখী হুমকিতে ইসরায়েল, ফুরিয়ে আসছে ইন্টারসেপ্টর

প্রকাশিত : ০৯:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

এক মাসে গড়ানো ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয়েছে ইসরায়েল। ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিজবুল্লাহর পর ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা যুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন দিক থেকে হুমকির মুখে পড়েছে ইসরায়েল। এর ফলে হামলা ঠেকাতে রীতিমতো বেকায়দা পড়েছে ইসরায়েলের আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।’

পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিনিধি নূর ওদেহ বলেছেন, ইসরায়েলি নেতাদের বক্তব্য শুনলে আপনার মনে হতে পারে যে দেশটি এই যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বারবার দাবি করছেন, ইসরায়েল সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ইরান কোণঠাসা হয়ে পড়েছে; সামনে আরও বড় আঘাত আসছে।

তবে ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করার সুযোগটি হাতছাড়া করছে না। তারা অভিযোগ করছে, নেতানিয়াহুর কাছে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই এবং তিনি ইসরায়েলের সক্ষমতা নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করছেন।

যুদ্ধ শুরুর এক মাস পার হয়ে গেলেও ইসরায়েল এখনও ইরানি হামলার হুমকির মুখে রয়েছে। পাশাপাশি হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও অব্যাহত রয়েছে। এখন হুতিদের পক্ষ থেকে তৃতীয় একটি ফ্রন্ট বা যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে ইসরায়েল নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং পদ্ধতি আরোপ করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ সব দিক থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও বহুমুখী হুমকি মোকাবিলা করতে গিয়ে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রমাগত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত বিপজ্জনক হারে কমে আসছে।

সামরিক বিশ্লেষক ও কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ইরান এবং তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের দিক থেকে ধেয়ে আসা শত শত ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ইসরায়েলকে তাদের সবচেয়ে উন্নত ‘অ্যারো’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ সিস্টেম ব্যবহার করতে হচ্ছে। একেকটি ‘অ্যারো’ ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের পেছনে খরচ হয় কয়েক লাখ ডলার। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মিসাইল খরচ হওয়ায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারীরা চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।