ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজের কাছ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের দুই জাহাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

পাকিস্তানের পতাকাবাহী দুটি জাহাজকে হরমুজে কাছ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ। এ দুটি জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো সেগুলো হরমুজে প্রবেশ করতে পারেনি।

জাহাজগুলোর নাম খাইরপুর এবং শালামার বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপরই হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। গুরুত্বপূর্ণ এ সামুদ্রিক রুটটি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এখান নিয়ে নিজেদের জ্বালানি রপ্তানি করে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাদের নৌবাহিনী এ মুহূর্ত থেকে হরমুজকে অবরুদ্ধ করবে। এছাড়া যেসব জাহাজ হরমুজ পার হতে ইরানকে টোল দিয়েছে সেসব জাহাজ শক্তি প্রয়োগ করে আটকানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলতে দেওয়া হবে না।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি লিখেছেন, “এ মুহূর্ত থেকে কার্যকর, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হরমুজ দিয়ে প্রবেশ ও বের হওয়া সব জাহাজকে অবরুদ্ধ করবে। আমরা ‘সব জাহাজ বের হওয়া এবং সব জাহাজ প্রবেশের’ সুযোগ পাবে এমন বিষয় চাই। কিন্তু ইরান এটি হতে দেয়নি সেখানে মাইন থাকার কথা বলে। হরমুজের কোন জায়গায় মাইন আছে, সেটি ইরানিরা ছাড়া আর কেউ জানে না। এটি বিশ্ব চাঁদাবাজি। আর বিশ্বের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা চাঁদাবাজির শিকার হবে না।”
জনপ্রিয় সংবাদ

দেবীদ্বারে ১৬ হাজার কৃষক পেলেন কৃষি প্রনোদনা

হরমুজের কাছ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের দুই জাহাজ

প্রকাশিত : ০৬:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের পতাকাবাহী দুটি জাহাজকে হরমুজে কাছ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ। এ দুটি জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো সেগুলো হরমুজে প্রবেশ করতে পারেনি।

জাহাজগুলোর নাম খাইরপুর এবং শালামার বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপরই হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। গুরুত্বপূর্ণ এ সামুদ্রিক রুটটি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এখান নিয়ে নিজেদের জ্বালানি রপ্তানি করে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাদের নৌবাহিনী এ মুহূর্ত থেকে হরমুজকে অবরুদ্ধ করবে। এছাড়া যেসব জাহাজ হরমুজ পার হতে ইরানকে টোল দিয়েছে সেসব জাহাজ শক্তি প্রয়োগ করে আটকানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলতে দেওয়া হবে না।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি লিখেছেন, “এ মুহূর্ত থেকে কার্যকর, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী হরমুজ দিয়ে প্রবেশ ও বের হওয়া সব জাহাজকে অবরুদ্ধ করবে। আমরা ‘সব জাহাজ বের হওয়া এবং সব জাহাজ প্রবেশের’ সুযোগ পাবে এমন বিষয় চাই। কিন্তু ইরান এটি হতে দেয়নি সেখানে মাইন থাকার কথা বলে। হরমুজের কোন জায়গায় মাইন আছে, সেটি ইরানিরা ছাড়া আর কেউ জানে না। এটি বিশ্ব চাঁদাবাজি। আর বিশ্বের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা চাঁদাবাজির শিকার হবে না।”