জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলে সাধারণত সাবেক ক্রিকেটার কিংবা ক্রিকেট প্রশাসকদের দায়িত্ব নিতে দেখা যায়। আর তিনি সেই দেশেরেই নাগরিক হয়ে থাকেন। তবে ইংল্যান্ড এবার ভিন্ন পথে হাঁটল। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার মার্কাস নর্থকে তারা নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
তিনি অবশ্য আগে থেকেই ইংলিশ ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, যদিও তা জাতীয় দল কিংবা ইসিবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। ২০১৮ সাল থেকে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব ডারহামের ক্রিকেট পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন নর্থ। ২০১৬ আর্থিক কারণে ক্লাবটি বাধ্যতামূলক অবনমনের মুখে পড়লে তাদের পুনর্গঠনের জন্য বড় কৃতিত্ব দেওয়া হয় তাকে। এ ছাড়া ইংলিশ টেস্ট অধিনায়ক বেন স্টোকসের সঙ্গেও নর্থের ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রথম কোনো বিদেশি নির্বাচক হতে যাওয়া নর্থের বিষয়ে ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, নির্বাচক পদের জন্য সাবেক দুই ইংলিশ পেসার স্টিভেন ফিন ও ড্যারেন গফও আবেদন করেছিলেন। ওই লড়াইয়ে বাকি দুজনকে পেছনে ফেললেন নর্থ। মূলত তার প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ইংলিশদের নির্বাচক হওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রেখেছে। নর্থ ডারহামের পুরুষ দলের ক্রিকেট পরিচালক ছিলেন আগে থেকেই, গত বছর থেকে নারী দলের দায়িত্বেও নিয়োজিত হন।
জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরুর আগে অবশ্য ডারহামের দায়িত্ব ছাড়তে হবে ৪৬ বছর বয়সী সাবেক এই অজি ক্রিকেটারকে। ২৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা নর্থের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হয় চলতি সপ্তাহে ইসিবির সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর। আগামী জুনে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ টেস্টের সিরিজ খেলবে স্টোকসের দল। সেই সিরিজের জন্য দল বাছাইয়ের সভায় নর্থেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
নর্থ অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দল ছাড়াও ইংল্যান্ডের ঘরোয়া লিগ কাউন্টিতে খেলার বড় অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেছেন ডারহামসহ কাউন্টির ভিন্ন ছয়টি দলের হয়ে। এবার তিনি ইংলিশ জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আসীন হবেন লুক রাইটের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে। সাবেক এই ইংলিশ তারকা সর্বশেষ অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-১ ব্যবধানে হারের পর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















