ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

শেরপুরে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

টানা বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকাল থেকে শেরপুরের পাহাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়, যা সারাদিন ধরে অব্যাহত ছিল।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাবে শেরপুরের নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে।

ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ৪২৬ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যায় তা বেড়ে বিপৎসীমার ১৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ভোগাই নদীর পানি সকালে বিপৎসীমার ৩০০ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যা নাগাদ তা বেড়ে বিপৎসীমার ১৮০ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।

শেরপুরে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি

প্রকাশিত : ১১:২১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকাল থেকে শেরপুরের পাহাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়, যা সারাদিন ধরে অব্যাহত ছিল।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাবে শেরপুরের নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে।

ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ৪২৬ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যায় তা বেড়ে বিপৎসীমার ১৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ভোগাই নদীর পানি সকালে বিপৎসীমার ৩০০ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যা নাগাদ তা বেড়ে বিপৎসীমার ১৮০ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।