গাজীপুর প্রতিনিধি: আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের উদ্যোগে গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদক বিরোধী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার ২৭ জুন র্যালিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। টঙ্গীর এশিয়া পাম্প এলাকা থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে চেরাগ আলী এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের সভাপতি মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোঃ জামাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আজহার ইসলাম মোল্লা।গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নেয়ামত উল্লাহ শাকের, অর্থ সম্পাদক মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হাজী এস এম মান্নান, এডঃ মোঃ শাহিন মিয়া, এস এম জাহিদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, “পরিকল্পিত ভাবে যুবসমাজের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে তাদের ধ্বংস করার অপচেষ্টা চলছে। দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষায় যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করার। জনগণ একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ চায়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আহ্বান—আসুন, সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি এবং একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হই।”
বক্তারা বলেন, “গাজীপুরে মাদক একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের কারণে সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে টঙ্গী এলাকায় ছিনতাই, রাহাজানি ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে মাদকের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেও একযোগে কাজ করতে হবে।”
মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং একটি সুস্থ, নিরাপদ ও নৈতিক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান বক্তারা।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















