ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

এনবিআরে যোগ দিতে এসে জানা গেল নিয়োগপত্র জাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

চাকরি পাওয়ার খুশিতে বুকভরা আশা নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগ দিতে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু গেটে পা রেখেই এবং কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে তার পায়ের তলার মাটি সরে যায়। হাতে থাকা স্বপ্নের নিয়োগপত্রটি আসলে একটি নিখুঁত জালিয়াতি মাত্র!

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এমনই একটি ঘটনা ফাঁস হয়েছে। চাকরি প্রার্থী মো. সৌভিক রহমান ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে যোগদান করতে এসে জানলেন তার কাছে নিয়োগপত্র ও সব চিঠি জাল।

এ বিষয়ে এনবিআরে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, এনবিআরের লোগো এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই ভুয়া নিয়োগপত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর তালিকা নিয়ে তিনি যোগদান করতে এসেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, এনবিআরের লোগো এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই ভুয়া নিয়োগপত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় মেধা ক্রমানুসারে মাকসুদা আক্তার মুক্তি, সাথী রানী দাস, মো. আবু সাইম, মো. আকতার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, মো. সৌভিক রহমান, মো. মাসুদ রানা এবং মো. ইউসুফ আলীর নাম ব্যবহার করা হয়।

এর মধ্যে তালিকায় থাকা প্রার্থী মো. সৌভিক রহমান সকালে ওই ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়ে এনবিআরে যোগদান করতে হাজির হন। কিন্তু বোর্ডে যোগাযোগের পর তিনি জানতে পারেন, এই নামের কোনো নিয়োগপত্র বা পদের বিপরীতে কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া এনবিআর থেকে সম্পন্ন করা হয়নি। পুরো চিঠিটিই সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।

চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারি স্মারক নম্বর, ওয়েবসাইট এবং দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম ও স্বাক্ষর জাল করেছে। নিয়োগপত্রে আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়ে বিভিন্ন শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছিল, যাতে প্রার্থীরা বিন্দুমাত্র সন্দেহ করার সুযোগ না পান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সহজ-সরল বেকার চাকরিপ্রার্থীদের টার্গেট করে এই প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

২২ বছরের ছোট অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘রোমান্সে’ নাসিরুদ্দিনের অস্বস্তি

এনবিআরে যোগ দিতে এসে জানা গেল নিয়োগপত্র জাল

প্রকাশিত : ০৩:০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

চাকরি পাওয়ার খুশিতে বুকভরা আশা নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে যোগ দিতে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু গেটে পা রেখেই এবং কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে তার পায়ের তলার মাটি সরে যায়। হাতে থাকা স্বপ্নের নিয়োগপত্রটি আসলে একটি নিখুঁত জালিয়াতি মাত্র!

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এমনই একটি ঘটনা ফাঁস হয়েছে। চাকরি প্রার্থী মো. সৌভিক রহমান ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে যোগদান করতে এসে জানলেন তার কাছে নিয়োগপত্র ও সব চিঠি জাল।

এ বিষয়ে এনবিআরে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, এনবিআরের লোগো এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই ভুয়া নিয়োগপত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর তালিকা নিয়ে তিনি যোগদান করতে এসেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, এনবিআরের লোগো এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা ওই ভুয়া নিয়োগপত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব খাতের ‘অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে ১৬তম গ্রেডে আটজন প্রার্থীর নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় মেধা ক্রমানুসারে মাকসুদা আক্তার মুক্তি, সাথী রানী দাস, মো. আবু সাইম, মো. আকতার হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, মো. সৌভিক রহমান, মো. মাসুদ রানা এবং মো. ইউসুফ আলীর নাম ব্যবহার করা হয়।

এর মধ্যে তালিকায় থাকা প্রার্থী মো. সৌভিক রহমান সকালে ওই ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়ে এনবিআরে যোগদান করতে হাজির হন। কিন্তু বোর্ডে যোগাযোগের পর তিনি জানতে পারেন, এই নামের কোনো নিয়োগপত্র বা পদের বিপরীতে কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়া এনবিআর থেকে সম্পন্ন করা হয়নি। পুরো চিঠিটিই সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।

চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারি স্মারক নম্বর, ওয়েবসাইট এবং দ্বিতীয় সচিব মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম ও স্বাক্ষর জাল করেছে। নিয়োগপত্রে আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়ে বিভিন্ন শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছিল, যাতে প্রার্থীরা বিন্দুমাত্র সন্দেহ করার সুযোগ না পান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সহজ-সরল বেকার চাকরিপ্রার্থীদের টার্গেট করে এই প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।