ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কেসিসির ৬ লাইসেন্স কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাত এবং সঠিকভাবে হিসাব যাচাই না করে আত্মসাতে সহযোগিতা করায় কেসিসির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন। দুদকের খুলনার উপপরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলায় ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাত করায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বিষয়টি তদারকি না করে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে বরখাস্ত থাকা সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার এবং জমা গ্রহণের সময় সঠিকভাবে হিসাব না করায় হিসাব বিভাগের ক্যাশিয়ার সঞ্জীব কুমার সাহাকে আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় ১১টি লাইসেন্স বই গায়েব করে অর্থ আত্মসাতের আলামত নষ্ট করায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, শেখ শাহেদ হাসান ও কাজী মনজুর উল আলম এবং সঠিকভাবে তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে সাবেক সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদারকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মনিরুল ইসলাম ও কাজী মনজুর উল আলমম বর্তমানে কনজারভেন্সি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, আরও ৬-৭ বছর আগের ঘটনায় মামলাগুলো দায়ের হয়েছে। এখনও কোনো নথি আমরা হাতে পাইনি। বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

২২ বছরের ছোট অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘রোমান্সে’ নাসিরুদ্দিনের অস্বস্তি

কেসিসির ৬ লাইসেন্স কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশিত : ০৪:০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাত এবং সঠিকভাবে হিসাব যাচাই না করে আত্মসাতে সহযোগিতা করায় কেসিসির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন। দুদকের খুলনার উপপরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলায় ট্রেড লাইসেন্স শাখার ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাত করায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বিষয়টি তদারকি না করে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে বরখাস্ত থাকা সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদার এবং জমা গ্রহণের সময় সঠিকভাবে হিসাব না করায় হিসাব বিভাগের ক্যাশিয়ার সঞ্জীব কুমার সাহাকে আসামি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলায় ১১টি লাইসেন্স বই গায়েব করে অর্থ আত্মসাতের আলামত নষ্ট করায় লাইসেন্স পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, শেখ শাহেদ হাসান ও কাজী মনজুর উল আলম এবং সঠিকভাবে তদারকি না করে দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে সাবেক সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার ফারুক হোসেন তালুকদারকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মনিরুল ইসলাম ও কাজী মনজুর উল আলমম বর্তমানে কনজারভেন্সি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, আরও ৬-৭ বছর আগের ঘটনায় মামলাগুলো দায়ের হয়েছে। এখনও কোনো নথি আমরা হাতে পাইনি। বিষয়টি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।