ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

মাগুরার শিশু ধর্ষণের বিচার সাত দিনের মধ্যে শুরু হবে: আইন উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ২৩৬ বার দেখা হয়েছে

মাগুরার আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার আগামী সাত দিনের মধ্যে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, শিশুটির ময়নাতদন্ত আজকেই করা হবে। ডিএনএ নমুনা নেয়া হয়েছে। আজকেই মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে নেয়া হবে। ৭ দিনের মধ্যে বিচার শুরু হবে।

আসিফ নজরুল আরও বলেন, দ্রুত বিচার শেষ হবে। আশা করি, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।

এ সময় নতুন আইনে শিশু ধর্ষণ ও বলৎকারের ঘটনায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কাজ করবে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, আগামী রবি অথবা সোমবার আইনের কাজ শুরু হবে।

তিনি বলেন, সরকার কোনো কালক্ষেপণ করেনি। দ্রুত সবাইকে গ্রেফতার করেছে। জিজ্ঞেসবাদ করেছে। ধর্ষণের ঘটনা আন্দোলনের নামে ভিন্ন কিছু করতে চায় কি না সেদিকে নজর রাখতে হবে।

এর আগে দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটি। তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। প্রথমে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (পিআইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। এরপর ৭ মার্চ রাতে তাকে ভেন্টিলেশনে নেয়া হয়।

গত ৮ মার্চ সন্ধ্যায় সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির চিকিৎসায় সিএমএইচের প্রধান সার্জনকে প্রধান করে আটজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।

শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার চার আসামির মধ্যে তিনজন পুরুষের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এরইমধ্যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালে তিন আসামিকে মাগুরা থেকে ঢাকায় সিআইডির ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবে আনা হয়। একই সঙ্গে শিশুটির ডিএনএ নমুনাও জমা দেয়া হয়।

মাগুরার এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও সমালোচনা চলছে। ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের মাঝেই পরমাণু অস্ত্র বৃদ্ধির ঘোষণা ম্যাঁক্রোর

মাগুরার শিশু ধর্ষণের বিচার সাত দিনের মধ্যে শুরু হবে: আইন উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০৪:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

মাগুরার আলোচিত শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার আগামী সাত দিনের মধ্যে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, শিশুটির ময়নাতদন্ত আজকেই করা হবে। ডিএনএ নমুনা নেয়া হয়েছে। আজকেই মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে নেয়া হবে। ৭ দিনের মধ্যে বিচার শুরু হবে।

আসিফ নজরুল আরও বলেন, দ্রুত বিচার শেষ হবে। আশা করি, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।

এ সময় নতুন আইনে শিশু ধর্ষণ ও বলৎকারের ঘটনায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কাজ করবে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, আগামী রবি অথবা সোমবার আইনের কাজ শুরু হবে।

তিনি বলেন, সরকার কোনো কালক্ষেপণ করেনি। দ্রুত সবাইকে গ্রেফতার করেছে। জিজ্ঞেসবাদ করেছে। ধর্ষণের ঘটনা আন্দোলনের নামে ভিন্ন কিছু করতে চায় কি না সেদিকে নজর রাখতে হবে।

এর আগে দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটি। তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। প্রথমে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (পিআইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। এরপর ৭ মার্চ রাতে তাকে ভেন্টিলেশনে নেয়া হয়।

গত ৮ মার্চ সন্ধ্যায় সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির চিকিৎসায় সিএমএইচের প্রধান সার্জনকে প্রধান করে আটজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।

শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার চার আসামির মধ্যে তিনজন পুরুষের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এরইমধ্যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকালে তিন আসামিকে মাগুরা থেকে ঢাকায় সিআইডির ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবে আনা হয়। একই সঙ্গে শিশুটির ডিএনএ নমুনাও জমা দেয়া হয়।

মাগুরার এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও সমালোচনা চলছে। ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ।