দুমকি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে তীব্র শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গভীর রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে গ্রামীণ জনপদ। সেই সাথে বৃষ্টির মতো পড়ছে শিশির বিন্দু। উত্তর দিক থেকে ঠান্ডা কনকনে বাতাস বইছে। দুর্ভোগে পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশু। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে দুমকি সর্বস্তরের জনসাধারণ। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধিতে বৃদ্ধ ও শিশু আক্রান্ত হচ্ছে সর্দি কাশিসহ ঠান্ডা জনিত রোগে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় আজ বৃহস্পতিবার ভোরে দুমকিতে তাপমাত্রা ১৩ডিগ্রী সেলসিয়াস যা চলতি বছরে দুমকি উপজেলায় সবচেয়ে কম। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টায় ব্যস্ত শীতার্ত সাধারণ মানুষ। সকালে শীতের তীব্রতায় মোটর সাইকেল, অটো রিকশা চালকরা জবুথবু হয়ে শীতের মোটা পোশাক পরে রাস্তায় নামছে। তবে রাস্তায় যাত্রী সংখ্যা খুব কম বলে তারা জানান।

উপজেলার চরগরবদি ফেরিঘাট এলাকার অটোচালক আবুল কাশেম জানান, কনকনে শীতের তীব্রতায় পেটের দায়ে রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু রাস্তায় যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। দুমকি থানাব্রীজ এলাকার হুন্ডা চালক মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রচন্ড শীত পড়ায় রাস্তায় নামা সম্ভব হচ্ছে না এবং যাত্রী নেই বললেই চলে।
সত্তোরোর্ধ্ব বৃদ্ধ নুরুল হক খান বলেন, চলতি বছরে হঠাৎ শীত বৃদ্ধি পাওয়ায় খুব কষ্ট হচ্ছে। শীত পরায় চলাফেরায় খুব কষ্ঠ হচ্ছে ।
এব্যাপারে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএসও ডাঃ মীর শহীদুল হাসান শাহিন বলেন, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে সর্দি কাশি, ঠান্ডা জনিত রোগ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























