ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

নওগাঁয় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৮ বার দেখা হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- নওগাঁয় ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন । সকালে শীতের দাপট বেশি থাকায় কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষেরা । বেলা বাড়ার সঙ্গে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের দাপট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে । দুপুরের পরে সূর্যের দেখা মিললেও রোদে থাকছে না তাপ। গরম কাপড় না থাকায় রাতের হাড় কাঁপানো শীতে কষ্ট পাচ্ছেন ছিন্নমূলসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ । নওগাঁ সদর পৌরসভা এলাকার এমদাদুল হোসেন  বলেন, ‘কনকনে এশীতে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না । প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হলেও গরম কাপড়ে শীত নিবারণ করা যাচ্ছে না ।ঘন কুয়াশা পড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে কাজে বের হওয়াও যাচ্ছে না ।

শীতের কাপড় পড়ে বাইরে বের হলেও সর্দি কাশি হয়ে যাচ্ছে । শহরের মুক্তির মোড় এলাকার বৃদ্ধ রমজান আলী বলেন, ‘শীতে কোনো কাজ করে শান্তি পাচ্ছি না । তীব্র শীতে ঘরের মধ্যেই বেশির ভাগ সময় বসে থাকি । হিমেল বাতাসে আরও বেশি ঠান্ডা লাগে। পানি ব্যবহার করতে খুব কষ্ট পাচ্ছি ।’ নারী দিনমজুর রেবেকা  বেগম বলেন, ‘শীত দেখে লাভ নাই। কাজ না করলে খাবার জুটবে না। সংসারও চলবে না। গরিব মানুষ তাই শীতেও কাজ করি, গরমেও কাজ করি ।’ নওগাঁ  সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম  জানান, হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ স্বাভাবিক আছে। তবে প্রচণ্ড শীতে হাসপাতালে রোগীর ভিড় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে । তারপরও সকল প্রস্তুতি নেওয়া আছে ।’ সবাইকে গরম কাপড় পরিধান করা পরামর্শ দেন তিনি । নওগাঁ  জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম  জানান, শীত নিবারনের জন্য গরম কাপড় হিসেবে কম্বল বিতরণ চলমান রয়েছে ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত : ১১:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- নওগাঁয় ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন । সকালে শীতের দাপট বেশি থাকায় কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষেরা । বেলা বাড়ার সঙ্গে সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের দাপট দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে । দুপুরের পরে সূর্যের দেখা মিললেও রোদে থাকছে না তাপ। গরম কাপড় না থাকায় রাতের হাড় কাঁপানো শীতে কষ্ট পাচ্ছেন ছিন্নমূলসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ । নওগাঁ সদর পৌরসভা এলাকার এমদাদুল হোসেন  বলেন, ‘কনকনে এশীতে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না । প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হলেও গরম কাপড়ে শীত নিবারণ করা যাচ্ছে না ।ঘন কুয়াশা পড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে কাজে বের হওয়াও যাচ্ছে না ।

শীতের কাপড় পড়ে বাইরে বের হলেও সর্দি কাশি হয়ে যাচ্ছে । শহরের মুক্তির মোড় এলাকার বৃদ্ধ রমজান আলী বলেন, ‘শীতে কোনো কাজ করে শান্তি পাচ্ছি না । তীব্র শীতে ঘরের মধ্যেই বেশির ভাগ সময় বসে থাকি । হিমেল বাতাসে আরও বেশি ঠান্ডা লাগে। পানি ব্যবহার করতে খুব কষ্ট পাচ্ছি ।’ নারী দিনমজুর রেবেকা  বেগম বলেন, ‘শীত দেখে লাভ নাই। কাজ না করলে খাবার জুটবে না। সংসারও চলবে না। গরিব মানুষ তাই শীতেও কাজ করি, গরমেও কাজ করি ।’ নওগাঁ  সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম  জানান, হাসপাতাল গুলোতে রোগীর চাপ স্বাভাবিক আছে। তবে প্রচণ্ড শীতে হাসপাতালে রোগীর ভিড় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে । তারপরও সকল প্রস্তুতি নেওয়া আছে ।’ সবাইকে গরম কাপড় পরিধান করা পরামর্শ দেন তিনি । নওগাঁ  জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম  জানান, শীত নিবারনের জন্য গরম কাপড় হিসেবে কম্বল বিতরণ চলমান রয়েছে ।