ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামে কুয়াশা বেড়েছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:৫৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

কুড়িগ্রামে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাত থেকে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই বিস্তীর্ণ জনপদে সূর্যের দেখা মেলেনি। এ সময় বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে। কুয়াশার সঙ্গে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে সময়মতো কাজে যেতে পারেননি খেটে খাওয়া দিনমজুররা।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশ। আগামী কয়েক দিন এ তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

কুড়িগ্রামে কুয়াশা বেড়েছে

প্রকাশিত : ০১:৫৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়েছে। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাত থেকে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই বিস্তীর্ণ জনপদে সূর্যের দেখা মেলেনি। এ সময় বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে। কুয়াশার সঙ্গে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে সময়মতো কাজে যেতে পারেননি খেটে খাওয়া দিনমজুররা।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৯ শতাংশ। আগামী কয়েক দিন এ তাপমাত্রা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।