ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ফের শৈত্যপ্রবাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

মাত্র একদিনের বিরতির পর আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। হিমেল বাতাস ও তীব্র ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন পুনরায় বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালক এবং ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ। এর আগে টানা চার দিন জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) এক দিনের জন্য শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা প্রশমিত হলেও আজ থেকে আবারও জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, প্রায় সপ্তাহজুড়ে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি জানান, আগামী ১১ অথবা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলমান থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে।


গতকাল রোববার সারাদিন সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় জেলার জনপদগুলো জবুথবু হয়ে পড়ে। হালকা কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। সোমবার সকালে সূর্যের আংশিক দেখা মিললেও ঠান্ডার দাপট তেমন কমেনি।

কনকনে শীতে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে চাইছেন না। দোকানপাট খুলছে দেরিতে, রাস্তাঘাট ও বাজারগুলোতেও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় লোকসমাগম অনেক কম। তবে জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকদের।

চুয়াডাঙ্গায় ফের শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত : ০১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

মাত্র একদিনের বিরতির পর আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। হিমেল বাতাস ও তীব্র ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন পুনরায় বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালক এবং ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ। এর আগে টানা চার দিন জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) এক দিনের জন্য শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা প্রশমিত হলেও আজ থেকে আবারও জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, প্রায় সপ্তাহজুড়ে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি জানান, আগামী ১১ অথবা ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলমান থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে।


গতকাল রোববার সারাদিন সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় জেলার জনপদগুলো জবুথবু হয়ে পড়ে। হালকা কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে। সোমবার সকালে সূর্যের আংশিক দেখা মিললেও ঠান্ডার দাপট তেমন কমেনি।

কনকনে শীতে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে চাইছেন না। দোকানপাট খুলছে দেরিতে, রাস্তাঘাট ও বাজারগুলোতেও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় লোকসমাগম অনেক কম। তবে জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকদের।