ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঠিকাদারের মাধ্যমে মেরামতের অনুরোধ রাইজারে গ্যাস লিকেজ থাকলে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
পাইপলাইন গ্যাস রাইজারে লিকেজ থাকলে তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে তা মেরামত করতে গ্রাহকদের অনুরোধ জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

বার্তায় বলা হয়, বিজিডিসিএলের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কার্যক্রম ও লিকেজ শনাক্তকরণ কাজ চলমান রয়েছে। পরীক্ষিত রাইজারের মধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ রাইজারে গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত করা রাইজারের মধ্যে ২০ শতাংশ রাইজারে লিকেজ মেরামত সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মেরামতযোগ্য প্রায় ৮০ শতাংশ রাইজারের লিকেজ যথাসময়ে মেরামত না হওয়ায় এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের কারণে বিদেশ থেকে আমদানি করা মূল্যবান এলএনজি গ্যাসের অপচয় হচ্ছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ফলশ্রুতিতে বিজিডিসিএলের বৈধ গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত চাপে গ্যাস সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে আপনার হাউজলাইনে লিকেজ পাওয়া গেলে বিজিডিসিএলের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে লিকেজ মেরামত করুন, অন্যথায় গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪ ও গ্যাস আইন-২০১০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঠিকাদারের মাধ্যমে মেরামতের অনুরোধ রাইজারে গ্যাস লিকেজ থাকলে

প্রকাশিত : ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
পাইপলাইন গ্যাস রাইজারে লিকেজ থাকলে তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে তা মেরামত করতে গ্রাহকদের অনুরোধ জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

বার্তায় বলা হয়, বিজিডিসিএলের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কার্যক্রম ও লিকেজ শনাক্তকরণ কাজ চলমান রয়েছে। পরীক্ষিত রাইজারের মধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ রাইজারে গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত করা রাইজারের মধ্যে ২০ শতাংশ রাইজারে লিকেজ মেরামত সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মেরামতযোগ্য প্রায় ৮০ শতাংশ রাইজারের লিকেজ যথাসময়ে মেরামত না হওয়ায় এবং অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের কারণে বিদেশ থেকে আমদানি করা মূল্যবান এলএনজি গ্যাসের অপচয় হচ্ছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, ফলশ্রুতিতে বিজিডিসিএলের বৈধ গ্রাহকরা কাঙ্ক্ষিত চাপে গ্যাস সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কিছু কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করছে। এ পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে আপনার হাউজলাইনে লিকেজ পাওয়া গেলে বিজিডিসিএলের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারের মাধ্যমে লিকেজ মেরামত করুন, অন্যথায় গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি-২০১৪ ও গ্যাস আইন-২০১০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।