ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে দুমকিতে বাড়ছে সরিষার আবাদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধি প্রতিনিধিঃ অল্প খরচে অধিক লাভজনক ও ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে পটুয়াখালীর দুমকিতে দিন দিন বাড়ছে সরিষার চাষ। এরমধ্যে হলুদ রঙের ফুলে ফুলে ভরে গেছে সরিষার ক্ষেত। ফুল প্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সরিষার ক্ষেতগুলো।
হলুদ রঙের ফুলে ভরা সরিষা ক্ষেতের সাথে শীতের শেষ লগ্নে হরেক রকম পোশাক পড়ে ছবি ও সেলফি তুলতে দেখা যাচ্ছে ফুল প্রেমীদের। অপরদিকে মৌমাছি, প্রজাপতিসহ নানা জাতের কীটপতঙ্গের আনাগোনা ও মধু সংগ্রহের দৃশ্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলে পুরো ক্ষেত জুড়ে। এরমধ্যে কোনো কোনো ক্ষেতে আগাম জাতের সরিষা ক্ষেত ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে। দিগন্ত জুড়ে সারামাঠ যেন হল হলুদের চাঁদরে ছেঁয়ে গেছে।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দুমকি উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কৃষকরা আবাদ করেছে সরিষার। চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হেক্টর থাকলেও বাস্তবে তারচেয়ে বেশি জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের মধ্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিনামূল্যে সরিষা ও সার বিতরণ করা হয়েছে। বারি -১৭,১১,১৪ ও বিনা- ৮ জাতের সরিষার আবাদ বেশিহয়েছে ।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বৃদ্ধ কৃষক আঃ মান্নান চৌধুরী বলেন, ভোজ্যতেলের আকাশ চুম্বি দাম তাই নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রির জন্য এ বছর এক একর জমিতে বারি-১৭ জাতের সরিষার আবাদ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আশা করি নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করতে পারবো। অপর কৃষক মিজানুর রহমান খান বলেন, অল্প সময়ে কম খরচে অধিক ফলনের লক্ষ্যে প্রতিবারের মত এবারও পৌষের প্রথম সপ্তাহে এক একর বিশ শতাংশ জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে।
পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের কৃষক শাহজাহান মুন্সি জানান, এ বছর ১একর ৬০ শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। আগাম জাতের বারি-১৪ সরিষার চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এবারও ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করি। এছাড়াও সরিষার শুকনো গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগামী ২০/২৫ দিনের মধ্যে আগাম জাতের সরিষা সংগ্রহের পর ওই জমিতে তিল আবাদ করবো।
এব্যাপারে দুমকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষার প্রদর্শনী প্লট করে কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধকরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও কৃষকদের বিনা চাষে সরিষা আবাদের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি।

চাকসু শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সংকট নিরসনে ১০টি ডাবল ডেকার বাস চায়

ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে দুমকিতে বাড়ছে সরিষার আবাদ

প্রকাশিত : ০১:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

দুমকি প্রতিনিধি প্রতিনিধিঃ অল্প খরচে অধিক লাভজনক ও ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে পটুয়াখালীর দুমকিতে দিন দিন বাড়ছে সরিষার চাষ। এরমধ্যে হলুদ রঙের ফুলে ফুলে ভরে গেছে সরিষার ক্ষেত। ফুল প্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সরিষার ক্ষেতগুলো।
হলুদ রঙের ফুলে ভরা সরিষা ক্ষেতের সাথে শীতের শেষ লগ্নে হরেক রকম পোশাক পড়ে ছবি ও সেলফি তুলতে দেখা যাচ্ছে ফুল প্রেমীদের। অপরদিকে মৌমাছি, প্রজাপতিসহ নানা জাতের কীটপতঙ্গের আনাগোনা ও মধু সংগ্রহের দৃশ্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলে পুরো ক্ষেত জুড়ে। এরমধ্যে কোনো কোনো ক্ষেতে আগাম জাতের সরিষা ক্ষেত ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে। দিগন্ত জুড়ে সারামাঠ যেন হল হলুদের চাঁদরে ছেঁয়ে গেছে।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত দুমকি উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কৃষকরা আবাদ করেছে সরিষার। চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হেক্টর থাকলেও বাস্তবে তারচেয়ে বেশি জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের মধ্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের বিনামূল্যে সরিষা ও সার বিতরণ করা হয়েছে। বারি -১৭,১১,১৪ ও বিনা- ৮ জাতের সরিষার আবাদ বেশিহয়েছে ।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বৃদ্ধ কৃষক আঃ মান্নান চৌধুরী বলেন, ভোজ্যতেলের আকাশ চুম্বি দাম তাই নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রির জন্য এ বছর এক একর জমিতে বারি-১৭ জাতের সরিষার আবাদ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আশা করি নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করতে পারবো। অপর কৃষক মিজানুর রহমান খান বলেন, অল্প সময়ে কম খরচে অধিক ফলনের লক্ষ্যে প্রতিবারের মত এবারও পৌষের প্রথম সপ্তাহে এক একর বিশ শতাংশ জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে।
পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের কৃষক শাহজাহান মুন্সি জানান, এ বছর ১একর ৬০ শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। আগাম জাতের বারি-১৪ সরিষার চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এবারও ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করি। এছাড়াও সরিষার শুকনো গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগামী ২০/২৫ দিনের মধ্যে আগাম জাতের সরিষা সংগ্রহের পর ওই জমিতে তিল আবাদ করবো।
এব্যাপারে দুমকি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষার প্রদর্শনী প্লট করে কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধকরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও কৃষকদের বিনা চাষে সরিষা আবাদের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি।