সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ–৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেছেন জনগণই দেশের মালিক, জনগণই পরিবর্তনের প্রধান শক্তি। সুনামগঞ্জ–৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ইতোমধ্যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই সাধারণ মানুষ বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানাচ্ছেন। প্রচার প্রচারণা দিনদিন আরও জোরদার করা হচ্ছে।
গত রোববার বিকালে ছাতক জমিয়ত উপজেলার উদ্যোগে জাউয়াবাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনিএসব কথা বলেন,।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা জামিনুর রহমান চৌধুরী। পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা হুসাইন আহমদ ও মাওলানা আলীনুর। সমাবেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল রহমান, সাবেক আহ্বায়ক ফারুক আহমদ, নজরুল ইসলাম, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান, শায়খ মাওলানা সামছুল ইসলাম, যুব জমিয়তের সভাপতি মাওলানা গৌছ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইবরাহিম খলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আকমল হোসাইনসহ স্থানীয় বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও জমিয়তের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
কলিম উদ্দিন আহমতে মিলন বলেন,বাংলাদেশের মানুষ বহুদিন ধরে তাদের ন্যায্য অধিকার ও দাবি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য প্রতিহিংসা নয়—বরং নাগরিক অধিকার, ভোটাধিকার ও মৌলিক সুবিধা সুরক্ষা।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন শুধু একটি তারিখ নয়, এটি হবে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের দিন।তিনি আরও বলেন,৭১ সালের চিত্র জনগণ দেখেছে, তা দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। জান্নাতের টিকে বিত্রিু জনগনের মন জয় করতে পারবেন না। এসব কৌশলী প্রতারনা জনগন বোঝে পেয়েছে। এই অবস্থার পরিবর্তনের সময় এসেছে। বিএনপির এ কেন্দ্রীয় নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, “চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন—ভোট দিতে হবে, ভোট পাহারা দিতে হবে। জনগণেরগণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি ৫ আগস্টের গণজাগরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “যেভাবে সাধারণ মানুষ ৫ আগস্টে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সেভাবেই ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। কারণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে হলে এই নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই হবে।”
কালিম উদ্দিন মিলন বলেন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই দেশে জবাবদিহিতামূলক সরকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। “গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হলে দেশের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হবে।
তাই ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু ভোট নয়—এটি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। তিনি বলেন, দেশের মালিক জনগণ, দেশের চলার দিকনির্দেশনার সিদ্ধান্তও জনগণই নেবে। “এই বাংলাদেশ কিভাবে চলবে, কোন পথে চলবে—সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ছাড়া কেউ দিতে পারে না। জনগণই দেশের মালিক, জনগণই পরিবর্তনের প্রধান শক্তি।”সমাবেশে বক্তারা বলেন, সুনামগঞ্জ–৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ইতোমধ্যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই সাধারণ মানুষ বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানাচ্ছেন। নেতাকর্মীরাও প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকবেন এবং জনগণের ভোট সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সুনামগঞ্জ–৫ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিললেও ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন তার প্রচারণায় বারবার জনগণের কাছে আহ্বান জানাচ্ছেন—পরিবর্তনের ডাককে সফল করতে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















