ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কালকিনিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধারকৃত ৪০ ককটেল ধ্বংস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধারকৃত ৪০ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট। বুধবার দুপুরে কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণনগর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমির মধ্যে ককটেল গুলো একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ককটেল গুলো উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। আজ বরিশালের সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরশ মাহামুদ এর নেতৃত্বে এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করেন কালকিনি আর্মি ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ও বোম ডিসপোজাল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হারুন অর রশীদ। এসময় কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম,  উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন সহ অন্যান্য পুলিশ ও সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আসপাশের এলাকা কেপে উঠলে ভয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। ককটেল তৈরি করা সন্ত্রাসীদের কঠোর বিচার দাবি করেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয় সংবাদ

কালকিনিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধারকৃত ৪০ ককটেল ধ্বংস

প্রকাশিত : ০৮:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধারকৃত ৪০ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট। বুধবার দুপুরে কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ কৃষ্ণনগর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমির মধ্যে ককটেল গুলো একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ককটেল গুলো উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। আজ বরিশালের সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরশ মাহামুদ এর নেতৃত্বে এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করেন কালকিনি আর্মি ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ও বোম ডিসপোজাল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হারুন অর রশীদ। এসময় কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম,  উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন সহ অন্যান্য পুলিশ ও সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আসপাশের এলাকা কেপে উঠলে ভয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। ককটেল তৈরি করা সন্ত্রাসীদের কঠোর বিচার দাবি করেন স্থানীয়রা।