ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল ব্রাউন সার্জনফি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:১৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ব্রাউন সার্জনফিশ। এটি স্থানীয় জেলেদের কাছে ট্যাং মাছ নামে পরিচিত । অন্যান মাছের সাথে জেলেদের জালে ধরা পড়ে অদ্ভুত এ মাছটি। বুধবার বিকালে তীরে নিয়ে আসার পর স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে নিলামের মাধ্যমে অন্যান্য মাছের সাথে এ মাছটি বিক্রি করে দেয়। তবে তারা আগে এমন মাছ খুব কমই দেখেছেন বলে জেলেরা জানান।


ওয়ার্ল্ডফিশ এর সাবেক গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, এটি আকারে মাঝারি (প্রায় ২০–৩০ সেমি) এই মাছ ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর সহ বিভিন্ন উষ্ণ সমুদ্রে পাওয়া যায়। এ মাছের দেহ চাপা ও ডিম্বাকৃতি হওয়ায় সহজে সাঁতার কাটতে পারে। এর রং ধূসর-বাদামি, কখনও সোনালি আভা দেখা যায়। লেজের কাছে ধারালো কাঁটা থাকে, যা দিয়ে আত্মরক্ষা করে। এ কারণেই এর নাম সার্জনফিশ। এটি প্রবালপ্রাচীরে থাকে, শৈবাল খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সাধারণত দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে।
তিনি আরও জানান, যদিও বিশ্বের কিছু অঞ্চলে এটি খাদ্য হিসেবে খাওয়া হয়, বাংলাদেশে এটি সাধারণত খাবারের মাছ হিসেবে প্রচলিত নয়; বরং অ্যাকোয়ারিয়ামের শো-পিস মাছ হিসেবেই বেশি পরিচিত। এখানে এটি কেজি দরে নয়, প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হয় এবং দাম তুলনামূলক বেশি—যেমন ব্লু ট্যাং প্রজাতির একটি মাছের দাম প্রায় ৮–১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, এ ধরনের সার্জনফিশ আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে খুব বেশি দেখা যায় না, তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের বিচরণ রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বে মাল্টার সমর্থন চায় বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো বিরল ব্রাউন সার্জনফি

প্রকাশিত : ০৮:১৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ব্রাউন সার্জনফিশ। এটি স্থানীয় জেলেদের কাছে ট্যাং মাছ নামে পরিচিত । অন্যান মাছের সাথে জেলেদের জালে ধরা পড়ে অদ্ভুত এ মাছটি। বুধবার বিকালে তীরে নিয়ে আসার পর স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। পরে নিলামের মাধ্যমে অন্যান্য মাছের সাথে এ মাছটি বিক্রি করে দেয়। তবে তারা আগে এমন মাছ খুব কমই দেখেছেন বলে জেলেরা জানান।


ওয়ার্ল্ডফিশ এর সাবেক গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, এটি আকারে মাঝারি (প্রায় ২০–৩০ সেমি) এই মাছ ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর সহ বিভিন্ন উষ্ণ সমুদ্রে পাওয়া যায়। এ মাছের দেহ চাপা ও ডিম্বাকৃতি হওয়ায় সহজে সাঁতার কাটতে পারে। এর রং ধূসর-বাদামি, কখনও সোনালি আভা দেখা যায়। লেজের কাছে ধারালো কাঁটা থাকে, যা দিয়ে আত্মরক্ষা করে। এ কারণেই এর নাম সার্জনফিশ। এটি প্রবালপ্রাচীরে থাকে, শৈবাল খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সাধারণত দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে।
তিনি আরও জানান, যদিও বিশ্বের কিছু অঞ্চলে এটি খাদ্য হিসেবে খাওয়া হয়, বাংলাদেশে এটি সাধারণত খাবারের মাছ হিসেবে প্রচলিত নয়; বরং অ্যাকোয়ারিয়ামের শো-পিস মাছ হিসেবেই বেশি পরিচিত। এখানে এটি কেজি দরে নয়, প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হয় এবং দাম তুলনামূলক বেশি—যেমন ব্লু ট্যাং প্রজাতির একটি মাছের দাম প্রায় ৮–১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, এ ধরনের সার্জনফিশ আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে খুব বেশি দেখা যায় না, তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের বিচরণ রয়েছে।