ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

জিম্বাবুয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

শেষ দুই ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ রান, মাঠে তখন শেষ উইকেট জুটি। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইক পেয়েই বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে ভালো টাইমিং না হওয়ায় ডিপ স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন তিনি। তাতে ১৩ রানে হারে বাংলাদেশ। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল জিম্বাবুয়ে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় দলটি। ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্স সামলাতে গিয়ে ব্যাটের কানায় বল লাগান সৌম্য সরকার। স্লিপে সহজ ক্যাচ নেন ফিল্ডার। ১০ বলে ৫ রান করে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

সৌম্যর বিদায়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে সেটিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান ক্রেইগ আরভিন। তার বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। ১৬ বলে ৯ রান করেন তিনি।

এরপর ব্যাট হাতে দায়িত্ব তুলে নেন তানজিদ। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে তুলে নেন ফিফটি। এরপর ৭০ বলে ৫৭ রান করা তানজিদ স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন। তার বিদায়ে ভাঙে ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে ৯ম ওভারে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। ৯ রান করা ক্রেগ আরভিনকে বোল্ড করেছেন এই প্রিমিয়াম পেসার। পাঁচে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন ওয়েসলি মাদেভারেও। ৩০ বল খেলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। তাতে ৬৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরেন সিকান্দার রাজা ও বেন কারান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রোডেশিয়ানরা। তবে উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি রাজা। ৩৩ রান করে মিরাজের শিকার হয়েছেন তিনি।

এরপর ক্লাইভ মাদান্দে দ্রুত ফিরলেও সপ্তম উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন কারান ও ব্রাড ইভান্স। কারান ১২২ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন। আর ইভান্স ফিফটি করেছেন মাত্র ৩৬ বলে। সবমিলিয়ে কারান করেন অপরাজিত ১১১ রান, আর ইভান্সের ব্যাট থেকে এসেছে অপরাজিত ৫৮ রান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: চার দিন পর জীবিত উদ্ধার জেলে আল-আমিন, এখনও নিখোঁজ ৫

জিম্বাবুয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল

প্রকাশিত : ১১:২১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

শেষ দুই ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ রান, মাঠে তখন শেষ উইকেট জুটি। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইক পেয়েই বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে ভালো টাইমিং না হওয়ায় ডিপ স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন তিনি। তাতে ১৩ রানে হারে বাংলাদেশ। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল জিম্বাবুয়ে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় দলটি। ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্স সামলাতে গিয়ে ব্যাটের কানায় বল লাগান সৌম্য সরকার। স্লিপে সহজ ক্যাচ নেন ফিল্ডার। ১০ বলে ৫ রান করে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

সৌম্যর বিদায়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে সেটিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান ক্রেইগ আরভিন। তার বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। ১৬ বলে ৯ রান করেন তিনি।

এরপর ব্যাট হাতে দায়িত্ব তুলে নেন তানজিদ। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে তুলে নেন ফিফটি। এরপর ৭০ বলে ৫৭ রান করা তানজিদ স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন। তার বিদায়ে ভাঙে ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে ৯ম ওভারে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। ৯ রান করা ক্রেগ আরভিনকে বোল্ড করেছেন এই প্রিমিয়াম পেসার। পাঁচে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন ওয়েসলি মাদেভারেও। ৩০ বল খেলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। তাতে ৬৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরেন সিকান্দার রাজা ও বেন কারান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় রোডেশিয়ানরা। তবে উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি রাজা। ৩৩ রান করে মিরাজের শিকার হয়েছেন তিনি।

এরপর ক্লাইভ মাদান্দে দ্রুত ফিরলেও সপ্তম উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন কারান ও ব্রাড ইভান্স। কারান ১২২ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন। আর ইভান্স ফিফটি করেছেন মাত্র ৩৬ বলে। সবমিলিয়ে কারান করেন অপরাজিত ১১১ রান, আর ইভান্সের ব্যাট থেকে এসেছে অপরাজিত ৫৮ রান।