ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

দুমকিতে দেড় লাখ টাকার ৪৮ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:২৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৪৮টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে মৎস্য বিভাগ।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালী, চরবয়েড়া এবং মুরাদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মুরাদিয়া ও মজুমদার বাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপজেলা মৎস্য অফিসার মাহফুজুর রহমান, ফিল্ড অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম ও থানা পুলিশের একটি টিম পরিচালিত অভিযানে এসব জাল জব্দ করা হয়।
পরে জব্দকৃত জাল উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। নিষিদ্ধ এ জাল ব্যবহার করলে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নদী ও খালে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা এ ধরনের জাল ব্যবহার করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রকল্পে সাশ্রয়ের নজির, সাশ্রয়ের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার নতুন রাস্তা নির্মাণ, সরকারি কোষাগারে জমা ৫৯ লক্ষ

দুমকিতে দেড় লাখ টাকার ৪৮ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আগুনে ধ্বংস

প্রকাশিত : ০৭:২৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৪৮টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে মৎস্য বিভাগ।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত শ্রীরামপুর ইউনিয়নের রাজাখালী, চরবয়েড়া এবং মুরাদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মুরাদিয়া ও মজুমদার বাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপজেলা মৎস্য অফিসার মাহফুজুর রহমান, ফিল্ড অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম ও থানা পুলিশের একটি টিম পরিচালিত অভিযানে এসব জাল জব্দ করা হয়।
পরে জব্দকৃত জাল উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। নিষিদ্ধ এ জাল ব্যবহার করলে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নদী ও খালে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা এ ধরনের জাল ব্যবহার করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।