ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রকল্পে সাশ্রয়ের নজির, সাশ্রয়ের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার নতুন রাস্তা নির্মাণ, সরকারি কোষাগারে জমা ৫৯ লক্ষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ১০৬ বার দেখা হয়েছে
নেত্রকোণা পৌরসভায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষ অর্থ ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তৈরি করেছে নেত্রকোণা পৌরসভার সদ্য বিদায়ী পৌর প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম সরদার। এনপিআইডিপি প্রকল্পের ৪ টি প্যাকেজের রাস্তা থেকে রাস্তার কাজের মান ও পরিমাপ ঠিক রেখে  অতিরিক্ত ১ কোটি ৩৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা সাশ্রয় করে সেই অর্থ দিয়ে পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় ৬ টি অতিরিক্ত বিভিন্ন মাপের আরসিসি রাস্তা নির্মান করা হয়ছে যার মোট দৈর্ঘ্য ১কিলোমিটার ২০০ মিটার। যা পৌরসভার ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পৌরসভা থেকে মোক্তারপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত বাস্তবায়িত রাস্তা থেকে ৩৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা সাশ্রয় করে মোক্তারপাড়া এলাকায় ৩টি আরসিসি রাস্তা করা হয়েছে যার মোট দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার। অজহর রোড,পান মহালের মোড় থেকে ইসলামপুর মোড় পর্যন্ত বাস্তবায়িত রাস্তা থেকে অতিরিক্ত  ৬৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সাশ্রয় করে চন্দ্রনাথ স্কুল থেকে পাসপোর্ট অফিস পর্যন্ত ৫০০ মিটার আরসিসি রাস্তা নির্মান করার সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পশ্চিম সাতপাই এলাকায় বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ২১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে রেল লাইনের পাশ দিয়ে আবুল হোসেন তালুকদারের বাড়ি পর্যন্ত একটি নতুন আরসিসি রাস্তা নির্মান করা হয়েছে যার দৈর্ঘ্য ২৪০ মিটার। মনিকা রোডে বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ৭ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে ডিসি বাংলোর পিছনে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যর একটি আরসিসি নতুন রাস্তা নির্মান করা হয়েছে।
এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভাকে জনবান্ধব ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বাস্তবায়ন করেছেন বহু উন্নয়ন কার্যক্রম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-সাতপাই সরকারি কলেজ থেকে রেলক্রসিং পর্যন্ত আরসিসি সড়ক নির্মাণ, নিউটাউন পুকুরপাড়, মোক্তারপাড়া, সদর হাসপাতাল ও বারহাট্টা রোড,চক মসজিদ থেকে ইসলামপুর রাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, পৌর এলাকার একাধিক সেতু সংস্কার ও রংকরণ, ধলাই নদী সংস্কারসহ বড় দুটি সাঁকো নির্মাণ, পৌর ভবনের সৌন্দর্যবর্ধন, প্রায় ৪ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ এবং পুরোনো রোড লাইন প্রতিস্থাপন। এছাড়া এডিপি ও টিআর কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে সিসি রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ, সলিং কাজ, ১৩টি ডাস্টবিন স্থাপনসহ পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে। পৌরসভার বিভিন্ন হিসাবের বিপরীতে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আর্থিক শৃঙ্খলার দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন তিনি। সচেতন মহলের মতে, এই প্রথম নেত্রকোনা পৌরসভায় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে নাগরিকদের মধ্যে সরকারি কাজে আগ্রহ, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের এই আস্থা ও ভালোবাসাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করছে আরও এগিয়ে যেতে। নেত্রকোনা পৌরসভাকে দেশের অন্যতম শীর্ষ ও মডেল পৌরসভায় পরিণত করার স্বপ্ন নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন নেত্রকোনা পৌরসভার সদ্য বিদায়ী মানবিক ও নিরহংকার মনের মানুষ পৌর প্রশাসক-মো. আরিফুল ইসলাম সরদার।
নেত্রকোনা পৌরসভা সূত্রে আরও জানা যায়,  এনপিআইডিপি প্রকল্পের চারটি প্যাকেজ থেকে সাশ্রয় হয়েছে আরো ৫৯ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা যা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে যা পৌরসভার ইতিহাসে নজির বয়ে এনেছে। পৌরসভা থেকে মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসা পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ১৬ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। হাটখোলা রোডে বাস্তবায়িত ড্রেন প্রকল্প থেকে ১০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। বাহির চাপড়া এলাকায় সাবেক কমিশনার আমির বাসারের বাড়ি থেকে বড়ওয়ারী পর্যন্ত রাস্তা থেকে ৩০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে ও উকিল পাড়া ড্রেন থেকে ৩ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। এতে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ কমেছে এবং পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এ বিষয়ে পৌরসভার সদ্য বিদায়ী প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, “সরকারি অর্থের প্রতিটি টাকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। কাজের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করেই ব্যয় সাশ্রয় করা হয়েছে। সেই সাশ্রয়ী অর্থ আবার জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”আমি আসার পর ১০ কিলোমিটার লাইন বাড়ানো হয়েছে যার ফলে ৪০০ টি সড়ক বাতি দেওয়া হয়েছে।নেত্রকোনা পৌরবাসীর মতে, একই বরাদ্দের অর্থ থেকে সাশ্রয় করে নতুন উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের এই উদ্যোগ সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু চিকিৎসায় আলাদা ওয়ার্ড চালু

নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রকল্পে সাশ্রয়ের নজির, সাশ্রয়ের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার নতুন রাস্তা নির্মাণ, সরকারি কোষাগারে জমা ৫৯ লক্ষ

প্রকাশিত : ০৮:৪৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোণা পৌরসভায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষ অর্থ ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তৈরি করেছে নেত্রকোণা পৌরসভার সদ্য বিদায়ী পৌর প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম সরদার। এনপিআইডিপি প্রকল্পের ৪ টি প্যাকেজের রাস্তা থেকে রাস্তার কাজের মান ও পরিমাপ ঠিক রেখে  অতিরিক্ত ১ কোটি ৩৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা সাশ্রয় করে সেই অর্থ দিয়ে পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় ৬ টি অতিরিক্ত বিভিন্ন মাপের আরসিসি রাস্তা নির্মান করা হয়ছে যার মোট দৈর্ঘ্য ১কিলোমিটার ২০০ মিটার। যা পৌরসভার ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পৌরসভা থেকে মোক্তারপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত বাস্তবায়িত রাস্তা থেকে ৩৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা সাশ্রয় করে মোক্তারপাড়া এলাকায় ৩টি আরসিসি রাস্তা করা হয়েছে যার মোট দৈর্ঘ্য ৪০০ মিটার। অজহর রোড,পান মহালের মোড় থেকে ইসলামপুর মোড় পর্যন্ত বাস্তবায়িত রাস্তা থেকে অতিরিক্ত  ৬৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সাশ্রয় করে চন্দ্রনাথ স্কুল থেকে পাসপোর্ট অফিস পর্যন্ত ৫০০ মিটার আরসিসি রাস্তা নির্মান করার সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পশ্চিম সাতপাই এলাকায় বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ২১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে রেল লাইনের পাশ দিয়ে আবুল হোসেন তালুকদারের বাড়ি পর্যন্ত একটি নতুন আরসিসি রাস্তা নির্মান করা হয়েছে যার দৈর্ঘ্য ২৪০ মিটার। মনিকা রোডে বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ৭ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে ডিসি বাংলোর পিছনে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যর একটি আরসিসি নতুন রাস্তা নির্মান করা হয়েছে।
এদিকে নেত্রকোনা পৌরসভাকে জনবান্ধব ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বাস্তবায়ন করেছেন বহু উন্নয়ন কার্যক্রম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-সাতপাই সরকারি কলেজ থেকে রেলক্রসিং পর্যন্ত আরসিসি সড়ক নির্মাণ, নিউটাউন পুকুরপাড়, মোক্তারপাড়া, সদর হাসপাতাল ও বারহাট্টা রোড,চক মসজিদ থেকে ইসলামপুর রাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, পৌর এলাকার একাধিক সেতু সংস্কার ও রংকরণ, ধলাই নদী সংস্কারসহ বড় দুটি সাঁকো নির্মাণ, পৌর ভবনের সৌন্দর্যবর্ধন, প্রায় ৪ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ এবং পুরোনো রোড লাইন প্রতিস্থাপন। এছাড়া এডিপি ও টিআর কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে সিসি রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ, সলিং কাজ, ১৩টি ডাস্টবিন স্থাপনসহ পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে। পৌরসভার বিভিন্ন হিসাবের বিপরীতে প্রায় ৫৫ লাখ টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আর্থিক শৃঙ্খলার দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন তিনি। সচেতন মহলের মতে, এই প্রথম নেত্রকোনা পৌরসভায় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে নাগরিকদের মধ্যে সরকারি কাজে আগ্রহ, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের এই আস্থা ও ভালোবাসাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করছে আরও এগিয়ে যেতে। নেত্রকোনা পৌরসভাকে দেশের অন্যতম শীর্ষ ও মডেল পৌরসভায় পরিণত করার স্বপ্ন নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন নেত্রকোনা পৌরসভার সদ্য বিদায়ী মানবিক ও নিরহংকার মনের মানুষ পৌর প্রশাসক-মো. আরিফুল ইসলাম সরদার।
নেত্রকোনা পৌরসভা সূত্রে আরও জানা যায়,  এনপিআইডিপি প্রকল্পের চারটি প্যাকেজ থেকে সাশ্রয় হয়েছে আরো ৫৯ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা যা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে যা পৌরসভার ইতিহাসে নজির বয়ে এনেছে। পৌরসভা থেকে মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসা পর্যন্ত বাস্তবায়িত প্রকল্প থেকে ১৬ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। হাটখোলা রোডে বাস্তবায়িত ড্রেন প্রকল্প থেকে ১০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। বাহির চাপড়া এলাকায় সাবেক কমিশনার আমির বাসারের বাড়ি থেকে বড়ওয়ারী পর্যন্ত রাস্তা থেকে ৩০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে ও উকিল পাড়া ড্রেন থেকে ৩ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। এতে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ কমেছে এবং পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এ বিষয়ে পৌরসভার সদ্য বিদায়ী প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, “সরকারি অর্থের প্রতিটি টাকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। কাজের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করেই ব্যয় সাশ্রয় করা হয়েছে। সেই সাশ্রয়ী অর্থ আবার জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”আমি আসার পর ১০ কিলোমিটার লাইন বাড়ানো হয়েছে যার ফলে ৪০০ টি সড়ক বাতি দেওয়া হয়েছে।নেত্রকোনা পৌরবাসীর মতে, একই বরাদ্দের অর্থ থেকে সাশ্রয় করে নতুন উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের এই উদ্যোগ সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।