পটুয়াখালী প্রতিনিধি: “পর্যটনকে নতুন রূপ দিতে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে ঘিরে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় বর্নাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে। আয়োজন করা হয়। রোববার রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ও কুয়াকাটা পৌরসভা যৌথভাবে আয়োজন করে। এতে হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন, কুয়াকাটা টোয়াক সহ বিভিন্ন সংগঠন এতে অংশ নেয়। এছাড়াও শোভাযাত্রায় স্থানীয় সাংসদ এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি এতে অংশগ্রহণ করে।
কুয়াকাটা পৌরসভা থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পর্যটন হলিডে হোমস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো.আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে পর্যটন ইয়ুথ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান ছিলেন ১১৪ পটুয়াখালি ৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম এম মোশাররফ হোসেন।
এছাড়াও আলোচনা সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন তালুকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লি, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী,পৌর যুব দলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুক মীর, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন নেতা রাসেল খান সহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা সভাায় বক্তব্য রাখেন।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুয়াকাটা বয়েস ক্লাব,, ফিশ ফ্রাই সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, ট্যুরিস্ট বোর্ড মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নেতৃবৃন্দ কুয়াকাটা পর্যটনের নানা সমস্যা সমাধানে আহবান জানান। এ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার কয়েকশ মানুষ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশ নেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা কুয়াকাটা পর্যটন উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষা, সেবা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ সময় সকল পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে যার যার স্থান থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান ১১৪ পটুয়াখালি-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম এম মোশাররফ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে এবিএম এম মোশাররফ হোসেন বলেন,পর্যটন কেবল মানুষ, স্থান ও সংস্কৃতিকে একে অপরের কাছাকাছিই নিয়ে আসে না বরং এটি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে, জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাই কুয়াকাটায় পর্যটক ধরে রাখার জন্য আমরা ইতিমধ্যে একটি সাফারি পার্ক করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি সরকারও কুয়াকাটার প্রতি আন্তরিক। একনেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে, আসলে আমরা প্রকল্পটি পাশ করানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। প্রকল্পটি পাশ হয়ে গেলে কুয়াকাটার ভাঙ্গন যেমন রক্ষা হবে পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে কুয়াকাটাকে গড়ে তোলাও সম্ভব হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















