ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

আফ্রিকার তিন দেশে এইচআইভি প্রতিরোধে টিকার প্রয়োগ শুরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

প্রাণঘাতী এইচআইভি প্রতিরোধে যুগান্তকারী এক নতুন ইনজেকশনের প্রয়োগ শুরু করেছে আফ্রিকার তিন দেশ এসওয়াতিনি, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাম্বিয়া। বিশ্বে এইচআইভির ঝুঁকিতে থাকা সর্বোচ্চ জনসংখ্যার এই মহাদেশে এটাই ওষুধটির প্রথম সরকারি ব্যবহার। সোমবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এইচআইভি প্রতিরোধী লেনাকাপাভির নামের এই ইনজেকশন বছরে দু’বার দিতে হয়। ইনজেকশনটি এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি ৯৯.৯ শতাংশের বেশি কমাতে সক্ষম; যা কার্যত একটি শক্তিশালী ভ্যাকসিনের মতো কাজ করে।

প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এইচআইভিবাহী রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ইউএনআইএইডের অর্থায়নে উইটস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা শাখার তত্ত্বাবধানে নাগরিকদের মাঝে ইনজেকশনটির প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

ইউএনএইডসের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ৪ কোটি ৮ লাখ এইচআইভিবাহীর মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশই পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করেন। কেবল জাম্বিয়াতেই প্রায় ১৪ লাখ মানুষ এইচআইভিবাহী এবং প্রতিবছর নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ৩০ হাজার বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এসওয়াতিনিতে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন; যা ১২ লাখ জনসংখ্যার এই ক্ষুদ্র দেশের জন্য ভয়াবহ। ইউএনআইএইড ও গেটস ফাউন্ডেশনের ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির ফলে ২০২৭ সাল থেকে ১০০টিরও বেশি দেশে বছরে প্রায় ৪০ ডলারে লেনাকাপাভির জেনেরিক সংস্করণ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আফ্রিকার তিন দেশে এইচআইভি প্রতিরোধে টিকার প্রয়োগ শুরু

প্রকাশিত : ০৩:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রাণঘাতী এইচআইভি প্রতিরোধে যুগান্তকারী এক নতুন ইনজেকশনের প্রয়োগ শুরু করেছে আফ্রিকার তিন দেশ এসওয়াতিনি, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাম্বিয়া। বিশ্বে এইচআইভির ঝুঁকিতে থাকা সর্বোচ্চ জনসংখ্যার এই মহাদেশে এটাই ওষুধটির প্রথম সরকারি ব্যবহার। সোমবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এইচআইভি প্রতিরোধী লেনাকাপাভির নামের এই ইনজেকশন বছরে দু’বার দিতে হয়। ইনজেকশনটি এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি ৯৯.৯ শতাংশের বেশি কমাতে সক্ষম; যা কার্যত একটি শক্তিশালী ভ্যাকসিনের মতো কাজ করে।

প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এইচআইভিবাহী রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ইউএনআইএইডের অর্থায়নে উইটস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা শাখার তত্ত্বাবধানে নাগরিকদের মাঝে ইনজেকশনটির প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

ইউএনএইডসের ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ৪ কোটি ৮ লাখ এইচআইভিবাহীর মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশই পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করেন। কেবল জাম্বিয়াতেই প্রায় ১৪ লাখ মানুষ এইচআইভিবাহী এবং প্রতিবছর নতুন সংক্রমণের সংখ্যা ৩০ হাজার বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এসওয়াতিনিতে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন; যা ১২ লাখ জনসংখ্যার এই ক্ষুদ্র দেশের জন্য ভয়াবহ। ইউএনআইএইড ও গেটস ফাউন্ডেশনের ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির ফলে ২০২৭ সাল থেকে ১০০টিরও বেশি দেশে বছরে প্রায় ৪০ ডলারে লেনাকাপাভির জেনেরিক সংস্করণ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।