ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় রাজু শেখ (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাশার মিঞা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রাজু শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ১৩ বছর। তার বাবা-মায়ের সঙ্গে চরভদ্রাসন এলাকায় বসবাস ছিল। আসামি রাজু শেখ একই এলাকার বাসিন্দা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতের দিকে শিশুটিকে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হওয়ার পর আসামি রাজু শেখ মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ছাপড়া ঘরে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের পর শিশুটিকে ওই ঘরে রেখে দেওয়া হয়। পরদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে আসামির বাড়ির ছাপড়া ঘরের পেছনে অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসা শেষে শিশুটির ধর্ষণ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে চরভদ্রাসন থানায় মামলা করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

মামলার নথিতে ভুক্তভোগী শিশুটির নাম রূপালী আক্তার (১৩) এবং তার মায়ের নাম মোছা. আছিয়া খাতুন (৪০) উল্লেখ রয়েছে। আসামি রাজু শেখ (২৫), পিতা—শেখ দুলু, চরঅযোধ্যা এলাকার বাসিন্দা বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম রাব্বানী রতন বলেন, “আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।”

মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় বিচারাধীন ছিল। আদালতের রায়ের পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সৈয়দপুরে যুব সমাজ একতা সংঘের নতুন কমিটি পরিচিতি ও শপথ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০৮:৩০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় রাজু শেখ (২৫) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাশার মিঞা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রাজু শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ১৩ বছর। তার বাবা-মায়ের সঙ্গে চরভদ্রাসন এলাকায় বসবাস ছিল। আসামি রাজু শেখ একই এলাকার বাসিন্দা। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতের দিকে শিশুটিকে প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হওয়ার পর আসামি রাজু শেখ মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ছাপড়া ঘরে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের পর শিশুটিকে ওই ঘরে রেখে দেওয়া হয়। পরদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে আসামির বাড়ির ছাপড়া ঘরের পেছনে অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসা শেষে শিশুটির ধর্ষণ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে চরভদ্রাসন থানায় মামলা করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

মামলার নথিতে ভুক্তভোগী শিশুটির নাম রূপালী আক্তার (১৩) এবং তার মায়ের নাম মোছা. আছিয়া খাতুন (৪০) উল্লেখ রয়েছে। আসামি রাজু শেখ (২৫), পিতা—শেখ দুলু, চরঅযোধ্যা এলাকার বাসিন্দা বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম রাব্বানী রতন বলেন, “আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।”

মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় বিচারাধীন ছিল। আদালতের রায়ের পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।