ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

লেবানন থেকে বাসার আল আসাদের সহযোগীকে ধরে আনল সিরিয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের এক সহযোগীকে লেবানন থেকে গোপন অভিযান চালিয়ে ধরে নিয়ে এসেছে সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দারা। গতকাল বৃহস্পতিবার সিরিয়া জানায়, আলি কায়ালি নামে এ ব্যক্তি সিরিয়ার প্যারামিলিটারির প্রধান ছিলেন।

লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলি কায়ালিকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে গেছে সিরীয় ও তার্কিস গোয়েন্দারা।

২০১৩ সালে সুন্নি অধ্যুষিত শহর বানিয়াস এবং বায়দাদে গণহত্যা চালানোর প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে আলি কায়ালিকে অভিযুক্ত করা হয়। এ দুটি শহরে ওই সময় ২৪৮ জনকে হত্যা করা হয়।

সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছেন, আলি কায়ালি তুরস্কের বংশোদ্ভূত। কিন্তু তিনি বেড়ে ওঠেছেন সিরিয়ায়। এ সূত্রটি দাবি করেছেন, লেবাননের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে লেবাননের সূত্রটি বলেছেন, এই অভিযান সম্পর্কে আগে থেকে তাদের কোনো কিছু জানানো হয়নি।

লেবাননের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, “সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দা সদস্যরা মানসুরিয়াহ থেকে আলি কায়ালিকে অপহরণ করেন। এরপর তাকে লেবাননে অবস্থিত সিরিয়ার দূতাবাসে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।”

মানসুরিয়াহ লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি পাহাড়ি অঞ্চল। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হন বাসার আল আসাদ। তিনি রাশিয়ার মস্কোতে পালিয়ে যান। অপরদিকে তার সহযোগীদের বেশিরভাগ লেবাননে পালান।

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবানন থেকে বাসার আল আসাদের সহযোগীকে ধরে আনল সিরিয়া

প্রকাশিত : ১০:০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের এক সহযোগীকে লেবানন থেকে গোপন অভিযান চালিয়ে ধরে নিয়ে এসেছে সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দারা। গতকাল বৃহস্পতিবার সিরিয়া জানায়, আলি কায়ালি নামে এ ব্যক্তি সিরিয়ার প্যারামিলিটারির প্রধান ছিলেন।

লেবাননের একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তাসংস্থা এএফপিকে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আলি কায়ালিকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে গেছে সিরীয় ও তার্কিস গোয়েন্দারা।

২০১৩ সালে সুন্নি অধ্যুষিত শহর বানিয়াস এবং বায়দাদে গণহত্যা চালানোর প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে আলি কায়ালিকে অভিযুক্ত করা হয়। এ দুটি শহরে ওই সময় ২৪৮ জনকে হত্যা করা হয়।

সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছেন, আলি কায়ালি তুরস্কের বংশোদ্ভূত। কিন্তু তিনি বেড়ে ওঠেছেন সিরিয়ায়। এ সূত্রটি দাবি করেছেন, লেবাননের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে লেবাননের সূত্রটি বলেছেন, এই অভিযান সম্পর্কে আগে থেকে তাদের কোনো কিছু জানানো হয়নি।

লেবাননের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেছেন, “সিরিয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দা সদস্যরা মানসুরিয়াহ থেকে আলি কায়ালিকে অপহরণ করেন। এরপর তাকে লেবাননে অবস্থিত সিরিয়ার দূতাবাসে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।”

মানসুরিয়াহ লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি পাহাড়ি অঞ্চল। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হন বাসার আল আসাদ। তিনি রাশিয়ার মস্কোতে পালিয়ে যান। অপরদিকে তার সহযোগীদের বেশিরভাগ লেবাননে পালান।